শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে-আগুনে পুড়ে ৭ দোকানি নিঃস্ব, ক্ষতি প্রায় ৩ কোটি টাকা

কিশোরগঞ্জের-হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ৭ টি দোকান ভূষ্মিভুত হয়েছে।  এতে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে পৌর এলাকার মিষ্টিপট্রি  চৌ রাস্তায় এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয়রা জানান ,আলাল মিয়ার পিঁয়াজুর দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। টিন ও কাঠের দোকান হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে হোসেনপুর ও কিশোরগঞ্জের  ফায়ার সার্ভিসের ৪ টি ইউনিট এসে আগুন  নিভানোর কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ সময়ের মধ্যে কফিল মিয়ার ও জুয়েল মিয়ার হার্ডওয়্যারের দোকান ছাড়াও আল- আমিনের ওষুধের ফার্মেসী, কমিশনার রবি হোসেনের বৈশাখী খাবারের হোটেল, গোলাপ মিয়ার  পিঁয়াজুর দোকান ও শুকলালের জুতার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

হোসেনপুর ফায়ার সার্ভিসের সাব স্টেশন অফিসার শামছুল হক যদিও কোটি টাকার প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু ব্যবসায়িগণ বলেন, আমাদের দোকানের নগদ টাকা ও মালামাল সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।  যেখানে জুয়েল মিয়ার দাবী তাঁর  দোকানেই  দুই লাখ টাকা নগদ ছিলো ও কোটি টাকার উপরের হার্ডওয়্যারী সামগ্রী ছিলো।

এছাড়াও  হার্ডওয়্যারী দোকানের  কফিল মিয়া জানান, তার দোকানে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও  ৬০ লাক টাকার উপরের মালামাল ছিলো। আল- আমিনের ফিরোজা মেডিকেল হলে ৩ লাখ টাকা নগদ ও ৫০ লাখ টাকার মালামাল ছিলো।

মুদি দোকানি গোবিন্দ জানান, তার ৬ লাখ টাকা নগদ ও কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়েছে। জুতার দোকানের মালিক শুকলাল জানান, তার নগদ  ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার রক্ষিত ছিলো, যার সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

স্থানীয়ীরা জানান, পাশেই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের  শাখা থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গাড়িতে করে পানি আনার চেষ্টা করলে নদের পানি ময়লাযুক্ত ও পলিথিন বর্জ্যের কারনে ব্যর্থ হয়ে, পরে অন্য জায়গায় থেকে পানি সংগ্রহ করতে হওয়ায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে  ফায়ার সার্ভিসের আরও  দেরি হয়। বিলম্ব না হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম হতো।

জনপ্রিয়

আমি অনেক আগে থেকেই বেগম জিয়ার ভক্ত ছিলাম: আসিফ নজরুল

কিশোরগঞ্জে-আগুনে পুড়ে ৭ দোকানি নিঃস্ব, ক্ষতি প্রায় ৩ কোটি টাকা

প্রকাশের সময় : ০৮:২১:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০২৪

কিশোরগঞ্জের-হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ৭ টি দোকান ভূষ্মিভুত হয়েছে।  এতে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে পৌর এলাকার মিষ্টিপট্রি  চৌ রাস্তায় এ ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয়রা জানান ,আলাল মিয়ার পিঁয়াজুর দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। টিন ও কাঠের দোকান হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে হোসেনপুর ও কিশোরগঞ্জের  ফায়ার সার্ভিসের ৪ টি ইউনিট এসে আগুন  নিভানোর কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ সময়ের মধ্যে কফিল মিয়ার ও জুয়েল মিয়ার হার্ডওয়্যারের দোকান ছাড়াও আল- আমিনের ওষুধের ফার্মেসী, কমিশনার রবি হোসেনের বৈশাখী খাবারের হোটেল, গোলাপ মিয়ার  পিঁয়াজুর দোকান ও শুকলালের জুতার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

হোসেনপুর ফায়ার সার্ভিসের সাব স্টেশন অফিসার শামছুল হক যদিও কোটি টাকার প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু ব্যবসায়িগণ বলেন, আমাদের দোকানের নগদ টাকা ও মালামাল সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।  যেখানে জুয়েল মিয়ার দাবী তাঁর  দোকানেই  দুই লাখ টাকা নগদ ছিলো ও কোটি টাকার উপরের হার্ডওয়্যারী সামগ্রী ছিলো।

এছাড়াও  হার্ডওয়্যারী দোকানের  কফিল মিয়া জানান, তার দোকানে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও  ৬০ লাক টাকার উপরের মালামাল ছিলো। আল- আমিনের ফিরোজা মেডিকেল হলে ৩ লাখ টাকা নগদ ও ৫০ লাখ টাকার মালামাল ছিলো।

মুদি দোকানি গোবিন্দ জানান, তার ৬ লাখ টাকা নগদ ও কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়েছে। জুতার দোকানের মালিক শুকলাল জানান, তার নগদ  ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার রক্ষিত ছিলো, যার সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

স্থানীয়ীরা জানান, পাশেই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের  শাখা থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গাড়িতে করে পানি আনার চেষ্টা করলে নদের পানি ময়লাযুক্ত ও পলিথিন বর্জ্যের কারনে ব্যর্থ হয়ে, পরে অন্য জায়গায় থেকে পানি সংগ্রহ করতে হওয়ায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে  ফায়ার সার্ভিসের আরও  দেরি হয়। বিলম্ব না হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম হতো।