শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতে পালানোর সময় বেনাপোলে যুবলীগ নেতা আটক

আটক যুবলীগ নেতা

বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও একই ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মো. তাজউদ্দিনকে (৫৩) আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা।

আজ বুধবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে তাকে আটক করা হয়। কাউন্সিলর তাজউদ্দিন ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ৭ নম্বর বোরহানউদ্দিন পৌরসভা এলাকার আব্দুল গনির ছেলে।

আটক তাজউদ্দিন ভোলার সদর থানার বিস্ফোরক মামলার আসামি। গত ২ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ ভূঁইয়া ও বেনাপোল (বিজিবি) আইসিপি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার ফরিদ উদ্দিন জানান, তাদের কাছে আগে থেকেই গোপন খবর ছিল ভোলার বিস্ফোরক মামলার এজাহার ভুক্ত এক আসামি (কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা) বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাবে। এমন খবরের ভিত্তিতে ইমিগ্রেশনে নজরদারি বাড়ানো হয়। এসময় ওই আসামি পাসপোর্টে এক্সিট সিল মারার জন্য ইমিগ্রেশনের কাউন্টারে গেলে তাকে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৭ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও একই ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। তিনি বিস্ফোরক মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি। তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। পরে ভোলার সদর থানার পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করে পুলিশ।

জনপ্রিয়

ঝিকরগাছার নাভারণে খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল

ভারতে পালানোর সময় বেনাপোলে যুবলীগ নেতা আটক

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৭:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০২৪

বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার সময় ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও একই ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি মো. তাজউদ্দিনকে (৫৩) আটক করেছে ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা।

আজ বুধবার (৬ নভেম্বর) সকাল ১১টার দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে তাকে আটক করা হয়। কাউন্সিলর তাজউদ্দিন ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার ৭ নম্বর বোরহানউদ্দিন পৌরসভা এলাকার আব্দুল গনির ছেলে।

আটক তাজউদ্দিন ভোলার সদর থানার বিস্ফোরক মামলার আসামি। গত ২ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমতিয়াজ ভূঁইয়া ও বেনাপোল (বিজিবি) আইসিপি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েব সুবেদার ফরিদ উদ্দিন জানান, তাদের কাছে আগে থেকেই গোপন খবর ছিল ভোলার বিস্ফোরক মামলার এজাহার ভুক্ত এক আসামি (কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা) বেনাপোল দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাবে। এমন খবরের ভিত্তিতে ইমিগ্রেশনে নজরদারি বাড়ানো হয়। এসময় ওই আসামি পাসপোর্টে এক্সিট সিল মারার জন্য ইমিগ্রেশনের কাউন্টারে গেলে তাকে আটক করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তিনি স্বীকার করেন বোরহানউদ্দিন পৌরসভার ৭ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও একই ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি। তিনি বিস্ফোরক মামলার এজাহার ভুক্ত আসামি। তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। পরে ভোলার সদর থানার পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করে পুলিশ।