শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাতদিন পর মুনতাহার মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩

ছবি-সংগৃহীত

সিলেটের কানাইঘাটে নিখোঁজ শিশু মুনতাহা আক্তার জেরিনেরকে (৬) বাঁচতে দেয়নি ঘাতকরা। নিখোঁজের সাতদিন পর ফুটফুটে সুন্দর শিশুটির লাশ বাড়ির পাশের ডুবা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১০ নভেম্বর) ভোরে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে পুলিশ।

ঘটনায় আটক তিন নারী হলেন- বীরদল গ্রামের মারজিয়া, তার মা আলিফজান ও নানি কুতুবজান।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আওয়াল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদরের মেয়েকে হারিয়ে পাগলপ্রায় বাবা মার আহাজারিতে গ্রামের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও শত শত মানুষ মুনতাহার বাড়িতে ভীড় জমিয়েছেন। ঘাতকদের নির্মমতায় হতবাক এলাকাবাসী। তারা মা বাবাকে শান্তমা দেওয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না। ধারণা করা হচ্ছে অপহরণ করে শিশুটিকে হত্যার পর লাশ গুম করতে চেয়েছিল।

আজ রোববার ভোররাত চারটার দিকে মুনতাহার নিজ বাড়ির পুকুরে তার নিথর দেহের সন্ধ্যান পাওয়া যায়।

মুনতাহা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বীরদলের ভাড়ারিফৌদ গ্রামের শামীম আহমদের মেয়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুনতাহার দাদা মো.ছালিক মিয়া।

এর আগে মুনতাহার পরিবার দাবি করে, তাকে পরিকল্পিতভাবে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কানাইঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করা হয়েছিলো। ‘অপহরণকারীকে’ ধরিয়ে দিতে এক লাখ টাকা পুরুস্কারও ঘোষণা করেছিলো পরিবার। উদ্বিগ্ন প্রবাসীরাও পুরস্কার ঘোষণা করেন।

গত ৩ নভেম্বর সকালে বাবার সঙ্গে স্থানীয় একটি ওয়াজ মাহফিল থেকে বাড়ি ফিরে। পরে প্রতিদিনের মতো আশপাশের বাড়িতে শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করতে যায়। কিন্তু বিকেলে হলে বাড়ি না ফিরলে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। তারপর তাকে আর কোথাও পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

যশোরে আসামি জামিনে বেরিয়ে মাদ্রাসা শিক্ষককে মারধর

সাতদিন পর মুনতাহার মরদেহ উদ্ধার, আটক ৩

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৪:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ নভেম্বর ২০২৪

সিলেটের কানাইঘাটে নিখোঁজ শিশু মুনতাহা আক্তার জেরিনেরকে (৬) বাঁচতে দেয়নি ঘাতকরা। নিখোঁজের সাতদিন পর ফুটফুটে সুন্দর শিশুটির লাশ বাড়ির পাশের ডুবা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (১০ নভেম্বর) ভোরে গলায় রশি প্যাঁচানো অবস্থায় বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৩ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে পুলিশ।

ঘটনায় আটক তিন নারী হলেন- বীরদল গ্রামের মারজিয়া, তার মা আলিফজান ও নানি কুতুবজান।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আওয়াল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদরের মেয়েকে হারিয়ে পাগলপ্রায় বাবা মার আহাজারিতে গ্রামের বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ও শত শত মানুষ মুনতাহার বাড়িতে ভীড় জমিয়েছেন। ঘাতকদের নির্মমতায় হতবাক এলাকাবাসী। তারা মা বাবাকে শান্তমা দেওয়ার ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না। ধারণা করা হচ্ছে অপহরণ করে শিশুটিকে হত্যার পর লাশ গুম করতে চেয়েছিল।

আজ রোববার ভোররাত চারটার দিকে মুনতাহার নিজ বাড়ির পুকুরে তার নিথর দেহের সন্ধ্যান পাওয়া যায়।

মুনতাহা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বীরদলের ভাড়ারিফৌদ গ্রামের শামীম আহমদের মেয়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মুনতাহার দাদা মো.ছালিক মিয়া।

এর আগে মুনতাহার পরিবার দাবি করে, তাকে পরিকল্পিতভাবে ‘অপহরণ’ করা হয়েছে। এ ঘটনায় কানাইঘাট থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী দায়ের করা হয়েছিলো। ‘অপহরণকারীকে’ ধরিয়ে দিতে এক লাখ টাকা পুরুস্কারও ঘোষণা করেছিলো পরিবার। উদ্বিগ্ন প্রবাসীরাও পুরস্কার ঘোষণা করেন।

গত ৩ নভেম্বর সকালে বাবার সঙ্গে স্থানীয় একটি ওয়াজ মাহফিল থেকে বাড়ি ফিরে। পরে প্রতিদিনের মতো আশপাশের বাড়িতে শিশুদের সঙ্গে খেলাধুলা করতে যায়। কিন্তু বিকেলে হলে বাড়ি না ফিরলে খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। তারপর তাকে আর কোথাও পাওয়া যায়নি।