শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খাসিয়াদের বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণ উৎসব ‘খাসি সেং কুটস্নেম’ এবার হবে না

খাসি আদিবাসী (খাসিয়া) সম্প্রদায়ের বর্ষ বরণ বিদায় ও নতুন বছরকে বরণের ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘খাসি সেং কুটস্নেম’ অনুষ্ঠান এবার হবে না বলে জানিয়েছে খাসি সোশ্যাল কাউন্সিল। প্রতিবছর ২৩শে নভেম্বর এই অনুষ্ঠানটি করে আসছিল তারা।
খাসি সোশ্যাল কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক, ফিলা পতমী বলেন, খাসিদের আয়ের ও জীবিকার প্রধান উৎস পান চাষ। পানের ব্যবসায় এবার মন্দা চলছে। খাসিরা পানের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। এই কারণে অর্থনৈতিকভাবে সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা। এই অনুষ্ঠান করতে তাদের দুই লাখ টাকারও অধিক খরচ হয়। এই টাকা জোগান না দিতে পারার কারণে এ বছর তাঁরা অনুষ্ঠান করতে পারছেন না। তবে ঘরোয়া পরিবেশে সীমিত পরিসরে দিনটির তাৎপর্য ও এর ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা সভার মাধ্যমে দিনটিকে পালন করবেন তাঁরা।
খাসি সোশ্যাল কাউন্সিলের সভাপতি জিডিশন প্রধান সুছিয়াং বলেন, সিলেট বিভাগের প্রায় ৭০টি খাসিয়া পুঞ্জির মানুষ এই উৎসবে এসে অংশ নেন। দেশ–বিদেশের পর্যটকেরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে উপভোগ করেন।
খাসি সেং কুটস্নেম বা বর্ষ বিদায় খাসিয়াদের একটি সার্বজনীন উৎসব। তবে এবার এ উৎসব আয়োজনে ভাটা পড়েছে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জির খেলার মাঠে খাসিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী এই বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খাসিয়ারা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সাজসজ্জায় সেজে নেচে–গেয়ে নিজেদের সংস্কৃতি তুলে ধরেন। ‘সেং কুটস্নেম উৎসবের দিন সবাই মিলে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, নিজস্ব সাংস্কৃতি পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী খাবার খেয়ে আনন্দে নিজেদের সামাজিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করেন। অনুষ্ঠানস্থলে পুরো মাঠ জুড়ে মেলা বসে। বিভিন্ন স্টলে খাসিয়ারা পোশাক, পান, তীর, ধনুক, বাঁশ-বেতের তৈরী জিনিসপত্রের পসরা সাজিয়ে বসেন। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।
জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

খাসিয়াদের বর্ষ বিদায় ও বর্ষবরণ উৎসব ‘খাসি সেং কুটস্নেম’ এবার হবে না

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৮:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০২৪
খাসি আদিবাসী (খাসিয়া) সম্প্রদায়ের বর্ষ বরণ বিদায় ও নতুন বছরকে বরণের ঐতিহ্যবাহী উৎসব ‘খাসি সেং কুটস্নেম’ অনুষ্ঠান এবার হবে না বলে জানিয়েছে খাসি সোশ্যাল কাউন্সিল। প্রতিবছর ২৩শে নভেম্বর এই অনুষ্ঠানটি করে আসছিল তারা।
খাসি সোশ্যাল কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক, ফিলা পতমী বলেন, খাসিদের আয়ের ও জীবিকার প্রধান উৎস পান চাষ। পানের ব্যবসায় এবার মন্দা চলছে। খাসিরা পানের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন না। এই কারণে অর্থনৈতিকভাবে সমস্যায় ভুগছেন তাঁরা। এই অনুষ্ঠান করতে তাদের দুই লাখ টাকারও অধিক খরচ হয়। এই টাকা জোগান না দিতে পারার কারণে এ বছর তাঁরা অনুষ্ঠান করতে পারছেন না। তবে ঘরোয়া পরিবেশে সীমিত পরিসরে দিনটির তাৎপর্য ও এর ইতিহাস সম্পর্কে আলোচনা সভার মাধ্যমে দিনটিকে পালন করবেন তাঁরা।
খাসি সোশ্যাল কাউন্সিলের সভাপতি জিডিশন প্রধান সুছিয়াং বলেন, সিলেট বিভাগের প্রায় ৭০টি খাসিয়া পুঞ্জির মানুষ এই উৎসবে এসে অংশ নেন। দেশ–বিদেশের পর্যটকেরাও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে উপভোগ করেন।
খাসি সেং কুটস্নেম বা বর্ষ বিদায় খাসিয়াদের একটি সার্বজনীন উৎসব। তবে এবার এ উৎসব আয়োজনে ভাটা পড়েছে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জির খেলার মাঠে খাসিয়া সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী এই বর্ষবিদায় ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। খাসিয়ারা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সাজসজ্জায় সেজে নেচে–গেয়ে নিজেদের সংস্কৃতি তুলে ধরেন। ‘সেং কুটস্নেম উৎসবের দিন সবাই মিলে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, নিজস্ব সাংস্কৃতি পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী খাবার খেয়ে আনন্দে নিজেদের সামাজিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করেন। অনুষ্ঠানস্থলে পুরো মাঠ জুড়ে মেলা বসে। বিভিন্ন স্টলে খাসিয়ারা পোশাক, পান, তীর, ধনুক, বাঁশ-বেতের তৈরী জিনিসপত্রের পসরা সাজিয়ে বসেন। কিন্তু ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না।