মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অবশেষে পালিত হচ্ছে খাসি সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

খাসি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বার্ষিকী উৎসব খাসি “সেং কুটস্নেম”(বর্ষবিদায়- বর্ষ বরণ অনুষ্ঠানটি অবশেষে প্রশাসনের সহায়তায় পালিত হচ্ছে। পূর্ব প্রস্তুতীর অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আগামী ২৩শে নভেম্বর মাগুরছড়া খাসি(খাসিয়া) পুঞ্জির খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
তবে আর্থিক সংকটের কারণে এ বছর অনুষ্ঠানটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত সরকারের শীর্ষ পর্যায় এবং প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসে ও খাসি নেতৃবৃন্দের যৌথ উদ্যোগে উৎসবটি আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। এখন চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি।
২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর ২৩শে নভেম্বর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জির খেলার মাঠে খাসি সম্প্রদায়ের বর্ষ বিদায় ও নতুন বছরকে বরণের অনুষ্ঠানটি করে আসছে খাসি সোশ্যাল কাউন্সিল। খাসিয়ারা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সাজসজ্জায় সেজে নেচে–গেয়ে নিজেদের সংস্কৃতি তুলে ধরেন। “সেং কুটস্নেম” উৎসবের দিন সবাই মিলে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী খাবার খেয়ে আনন্দে নিজেদের সামাজিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করেন। অনুষ্ঠানস্থলে পুরো মাঠ জুড়ে মেলা বসে।
জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় যশোরে দোয়া মাহফিল

অবশেষে পালিত হচ্ছে খাসি সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

প্রকাশের সময় : ১০:৫৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর ২০২৪
খাসি সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যবাহী বার্ষিকী উৎসব খাসি “সেং কুটস্নেম”(বর্ষবিদায়- বর্ষ বরণ অনুষ্ঠানটি অবশেষে প্রশাসনের সহায়তায় পালিত হচ্ছে। পূর্ব প্রস্তুতীর অংশ হিসেবে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে আগামী ২৩শে নভেম্বর মাগুরছড়া খাসি(খাসিয়া) পুঞ্জির খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত হবে।
তবে আর্থিক সংকটের কারণে এ বছর অনুষ্ঠানটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত থাকলেও, শেষ পর্যন্ত সরকারের শীর্ষ পর্যায় এবং প্রশাসনের সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাসে ও খাসি নেতৃবৃন্দের যৌথ উদ্যোগে উৎসবটি আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। এখন চলছে শেষ সময়ের প্রস্তুতি।
২০০৯ সাল থেকে প্রতিবছর ২৩শে নভেম্বর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাগুরছড়া খাসিয়া পুঞ্জির খেলার মাঠে খাসি সম্প্রদায়ের বর্ষ বিদায় ও নতুন বছরকে বরণের অনুষ্ঠানটি করে আসছে খাসি সোশ্যাল কাউন্সিল। খাসিয়ারা তাদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সাজসজ্জায় সেজে নেচে–গেয়ে নিজেদের সংস্কৃতি তুলে ধরেন। “সেং কুটস্নেম” উৎসবের দিন সবাই মিলে ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা, নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, ঐতিহ্যবাহী খাবার খেয়ে আনন্দে নিজেদের সামাজিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করেন। অনুষ্ঠানস্থলে পুরো মাঠ জুড়ে মেলা বসে।