
ঠাকুরগাঁওয়ে সদর সহ ২২টি ইউনিয়নে শীতের আগমনে লেপ-তোষক তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন স্থানীয় কারিগররা। গত কয়েক দিন যাবত ভোর বেলা কুয়াশা জমে থাকছে ঘাসে লতা পাতায়। রাতে কিছুটা শীত অনুভূতি হচ্ছে। পুরোপুরি শীতে শুরু না হলেও অনুভূতি হচ্ছে শীতের আমেজ।
প্রচলিত রীতি অনুযায়ী কার্তিক মাসে শীতের জন্ম হলেও পৌষ ও মাঘ এই দুই মাস শীত মৌসুম হিসাবে বিবেচিত হয়। এলাকার হাজার হাজার মানুষ শীত মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি হিসাবে হিড়িক পরে গেছে লেপ-তোষক বানানোর দোকানে। রোড,শিবগঞ্জ,মাদারগঞ্জ,গড়েয়া বাজার,ভেলকজান,ভাউলার হাটসহ উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের কারিগররা এরইমধ্যে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ক্রেতাদের আনাগোনায় জমজমাট হয়ে পরেছে লেপ-তোষকের দোকানগুলো। ভোর রাতে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুযাশা পড়ার দৃশ্য গত দুই সপ্তাহ ধরে পরিলক্ষিত হচ্ছে। এ কারণে রাণীশংকৈল এবং হরিরামপুর নদী পারের লোকজনের গায়ে উঠতে শুরু করেছে হালকা কিংবা মাঝারি ধরনের গরম শীতের কাঁথা। অনেক পরিবারের লোকজন তাদের বাস্কে ভর্তি রাখা লেপ-তোষক বের করে মেরামত করছে। আবার অনেক পরিবার নতুন করে তৈরি করছে লেপ-তোষক। বিভিন্ন হাট বাজারগুলোতেও পুরাতন কাপড় উঠতে শুরু করেছে।
ঠাকুরগাঁও কালিবাড়ি বাজারের লেপ-তোষক ব্যবসায়ী মো. মিন্টু তুলা ঘর জানান, প্রতিটি ভাল লেপ ৮শ টাকা থেকে ১৫ টাকা এবং প্রতিটি ভাল তোষক এক হাজার টাকা থেকে ১৪শ টাকা পর্যন্ত আমরা বিক্রয় করে থাকে। এছাড়া বিভিন্ন সাইজের লেপ- তোষক বালিশ তৈরি করে গ্রামাঞ্চলে বিক্রয় করা হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে তুলা এবং কাপরের দাম বৃদ্ধি না পাবার কারণে একটু অর্ডার বেশি হচ্ছে।
নিজস্ব সংবাদদাতা 


































