শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইনজীবী আলিফ হত্যার প্রতিবাদে কেরানীগঞ্জে ইত্তিফাকুল উলামার বিক্ষোভ

ছবি-প্রতিনিধি

ইসকন সন্ত্রাসীদের হামলায় অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) জুমার নামাজের পরে কেরানীগঞ্জের ঐতিহাসিক কদমতলী চৌরাস্তায় ইত্তিফাকুল উলামা এর উদ্যোগে এক মহা সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয় ।
এতে সভাপতিত্ব করেন ইত্তিফাকুল ওলামা প্রধান উপদেষ্টা সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম আল্লামা মুফতি আবু সাঈদ সাহেব। বক্তব্য রাখেন- ইত্তেফাকুল উলামা এর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফজলুল বারী, সহ-সভাপতি মাওলানা খালেদ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, মুফতি মীর শামসুদ্দিন বড়াইলি, মাওলানা আবু ইউসুফ, মাওলানা রাহাত হোসাইন হাবিবি, মুফতি আবু বক্কর কাসেমী, মুফতি রাশেদ প্রমূখ।
সমাবেশ ও বিক্ষোভ পরিচালনা করেন ইত্তিফাকুল উলামা এর সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আসাদুল্লাহ তানজিল।
উক্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে ইসকনের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে। তা না হলে বাংলাদেশের মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধভাবে সারা দেশে আন্দোলন গড়ে তুলবেন। অবিলম্বে ইসকনের সকল কার্যক্রম বন্ধসহ ইসকনের সকল মণ্ডপ বন্ধের দাবি করা হয়েছে । সমাবেশে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লী জুমার নামাজের পর কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন মসজিদ থেকে বের হয়ে মিছিল নিয়ে কদমতলীর সমাবেশ উপস্থিত হয়েছেন। বক্তারা অবিলম্বে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসকন কে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন । দেশদ্রোহী এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সারা বাংলাদেশের সমস্ত আলেম-ওলামাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান হয় । এছাড়া বক্তার আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের  প্রেতাত্তারা দেশে অরাজকতার সৃষ্টি পায়তারা করছে । এদের সাথে যোগ হয়েছে ইসকনের সদস্যরা । ইসকন এদেশে কখনোই মানুষের সম্প্রীতির সাথে ছিল না । তারা আজীবন ভারতের নেতৃত্বের ও অধীনেই এদেশে বসেই বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে আসছিল এবং করছে । তাই সারা দেশ থেকে ইসকনের সকল কার্যক্রম বন্ধসহ এদের আর্থিক স্থাবর অস্থাবর সকল বিষয়ে তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে সরকারের কাছে। অন্যথায় দেশের তৌহিদী জনতা এদের বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সমাবেশ শেষে শহীদ অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয় । দোয়া ও মোনাজাতের সময় হাজার হাজার মুসল্লিরা কান্নায় ভেঙে পড়েন ।
জনপ্রিয়

কোথায় আছেন ড. ইউনূস, কী করছেন?

আইনজীবী আলিফ হত্যার প্রতিবাদে কেরানীগঞ্জে ইত্তিফাকুল উলামার বিক্ষোভ

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৫:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৪
ইসকন সন্ত্রাসীদের হামলায় অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যার প্রতিবাদে আজ শুক্রবার (২৯ নভেম্বর) জুমার নামাজের পরে কেরানীগঞ্জের ঐতিহাসিক কদমতলী চৌরাস্তায় ইত্তিফাকুল উলামা এর উদ্যোগে এক মহা সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করা হয় ।
এতে সভাপতিত্ব করেন ইত্তিফাকুল ওলামা প্রধান উপদেষ্টা সর্বজন শ্রদ্ধেয় আলেম আল্লামা মুফতি আবু সাঈদ সাহেব। বক্তব্য রাখেন- ইত্তেফাকুল উলামা এর সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফজলুল বারী, সহ-সভাপতি মাওলানা খালেদ মোহাম্মদ ইয়াহিয়া, মুফতি মীর শামসুদ্দিন বড়াইলি, মাওলানা আবু ইউসুফ, মাওলানা রাহাত হোসাইন হাবিবি, মুফতি আবু বক্কর কাসেমী, মুফতি রাশেদ প্রমূখ।
সমাবেশ ও বিক্ষোভ পরিচালনা করেন ইত্তিফাকুল উলামা এর সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি আসাদুল্লাহ তানজিল।
উক্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে ইসকনের সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে। তা না হলে বাংলাদেশের মুসলমানরা ঐক্যবদ্ধভাবে সারা দেশে আন্দোলন গড়ে তুলবেন। অবিলম্বে ইসকনের সকল কার্যক্রম বন্ধসহ ইসকনের সকল মণ্ডপ বন্ধের দাবি করা হয়েছে । সমাবেশে হাজার হাজার ধর্মপ্রাণ মুসল্লী জুমার নামাজের পর কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন মসজিদ থেকে বের হয়ে মিছিল নিয়ে কদমতলীর সমাবেশ উপস্থিত হয়েছেন। বক্তারা অবিলম্বে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইসকন কে বন্ধের দাবি জানিয়েছেন । দেশদ্রোহী এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সারা বাংলাদেশের সমস্ত আলেম-ওলামাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান হয় । এছাড়া বক্তার আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকারের  প্রেতাত্তারা দেশে অরাজকতার সৃষ্টি পায়তারা করছে । এদের সাথে যোগ হয়েছে ইসকনের সদস্যরা । ইসকন এদেশে কখনোই মানুষের সম্প্রীতির সাথে ছিল না । তারা আজীবন ভারতের নেতৃত্বের ও অধীনেই এদেশে বসেই বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করে আসছিল এবং করছে । তাই সারা দেশ থেকে ইসকনের সকল কার্যক্রম বন্ধসহ এদের আর্থিক স্থাবর অস্থাবর সকল বিষয়ে তদন্ত-পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে সরকারের কাছে। অন্যথায় দেশের তৌহিদী জনতা এদের বিরুদ্ধে ঘরে ঘরে আন্দোলন গড়ে তোলার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। সমাবেশ শেষে শহীদ অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয় । দোয়া ও মোনাজাতের সময় হাজার হাজার মুসল্লিরা কান্নায় ভেঙে পড়েন ।