বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশে শান্তিরক্ষী পাঠাতে কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রস্তাব মমতার

ছবি-সংগৃহীত

বাংলাদেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী পাঠাতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে  আহ্বান জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে প্রতিবেশি দেশটিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনের বেঙ্গল অ্যাসেম্বলিতে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ৫ আগস্ট একটি ছাত্র-বিদ্রোহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছে। এরপর অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশে ইসকনের তিনজন পুরোহিত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাংলাদেশে আমাদের পরিবার, সম্পত্তি ও প্রিয়জন আছেন। এ বিষয়ে ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নেবে আমরা তা মেনে নেব। তবে আমরা বিশ্বের যে কোনো স্থানে ধর্মীয় নৃশংসতার নিন্দা জানাই। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করুন।

তিনি আরও বলেন, তিনি ইসকনের কলকাতা ইউনিটের প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন। বাংলাদেশে যদি ভারতীয়দের ওপর হামলা হয় তবে আমরা তা সহ্য করব না। আমরা আমাদের লোকদের ফিরিয়ে আনতে পারি। বাংলাদেশে শান্তিরক্ষী পাঠাতে ভারত সরকার জাতিসংঘের কাছে আবেদন করতে পারে।

একটি বাংলাদেশি ট্রলার ভারতের জলসীমায় প্রবেশ করে ডুবে গেলে ভারত সরকার তাদের উদ্ধার করেছিল এবং তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। সূত্র: এনডিটিভি

জনপ্রিয়

শায়খ সাঈদ আনোয়ার মোবারকী (মা.জি.আ.)-এর দর্শন

বাংলাদেশে শান্তিরক্ষী পাঠাতে কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রস্তাব মমতার

প্রকাশের সময় : ০৪:২১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৪

বাংলাদেশে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী পাঠাতে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারকে  আহ্বান জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে প্রতিবেশি দেশটিতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত হস্তক্ষেপ দাবি করেন তিনি।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনের বেঙ্গল অ্যাসেম্বলিতে ভাষণ দেওয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ৫ আগস্ট একটি ছাত্র-বিদ্রোহ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করেছে। এরপর অস্থির পরিস্থিতির মধ্যে বাংলাদেশে ইসকনের তিনজন পুরোহিত গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাংলাদেশে আমাদের পরিবার, সম্পত্তি ও প্রিয়জন আছেন। এ বিষয়ে ভারত সরকার সিদ্ধান্ত নেবে আমরা তা মেনে নেব। তবে আমরা বিশ্বের যে কোনো স্থানে ধর্মীয় নৃশংসতার নিন্দা জানাই। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী হস্তক্ষেপ করুন।

তিনি আরও বলেন, তিনি ইসকনের কলকাতা ইউনিটের প্রধানের সঙ্গে কথা বলেছেন। বাংলাদেশে যদি ভারতীয়দের ওপর হামলা হয় তবে আমরা তা সহ্য করব না। আমরা আমাদের লোকদের ফিরিয়ে আনতে পারি। বাংলাদেশে শান্তিরক্ষী পাঠাতে ভারত সরকার জাতিসংঘের কাছে আবেদন করতে পারে।

একটি বাংলাদেশি ট্রলার ভারতের জলসীমায় প্রবেশ করে ডুবে গেলে ভারত সরকার তাদের উদ্ধার করেছিল এবং তাদের সঙ্গে ভালো আচরণ করেছিল উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে চাই না। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সম্পর্কিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে। সূত্র: এনডিটিভি