সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বকশীগঞ্জে অর্থনৈতিক শুমারীর ৪ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি।।
অর্থনৈতিক শুমারিতে তথ্য দিন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশ নিন” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে জামালপুরের বকশীগঞ্জ  অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ এর মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী এবং সুপারভাইজারগণের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মডেল মসজিদে  এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অহনা জিন্নাত,।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার রাফিউজ্জামান ।
  অর্থশুমারীর জোনাল অফিসার রাশেদুজ্জামান মিজু, ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মো: মোশাররফ হোসেনসহ উপজেলার  সকল তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররাও এসময়  উপস্থিত ছিলেন।
পরিসংখ্যান অফিসার রাফিউজ্জামান জানান, ৪ দিনব্যাপী শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরে আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে পূর্ণাঙ্গ শুমারির কাজ শুরু হবে এবং ১৬ ডিসেম্বর শেষ হবে। এই ১৬ দিনের মধ্যে প্রতিজন গণনাকারীকে ১৫০টি করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড খানার তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এ কার্যক্রম সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়।
জনপ্রিয়

গোগার গোপালপুরে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

বকশীগঞ্জে অর্থনৈতিক শুমারীর ৪ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ

প্রকাশের সময় : ০২:৪৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৪
বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি।।
অর্থনৈতিক শুমারিতে তথ্য দিন, নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে অংশ নিন” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে জামালপুরের বকশীগঞ্জ  অর্থনৈতিক শুমারি-২০২৪ এর মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী এবং সুপারভাইজারগণের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার মডেল মসজিদে  এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন  উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) অহনা জিন্নাত,।
এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিসংখ্যান অফিসার রাফিউজ্জামান ।
  অর্থশুমারীর জোনাল অফিসার রাশেদুজ্জামান মিজু, ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার মো: মোশাররফ হোসেনসহ উপজেলার  সকল তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজাররাও এসময়  উপস্থিত ছিলেন।
পরিসংখ্যান অফিসার রাফিউজ্জামান জানান, ৪ দিনব্যাপী শুমারির তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলবে। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল ৫টা পর্যন্ত তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পরে আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে পূর্ণাঙ্গ শুমারির কাজ শুরু হবে এবং ১৬ ডিসেম্বর শেষ হবে। এই ১৬ দিনের মধ্যে প্রতিজন গণনাকারীকে ১৫০টি করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড খানার তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। এ কার্যক্রম সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হয়।