মঙ্গলবার, ০৬ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরিতে বদ্ধপরিকর ভারত: জয়সওয়াল

ছবি-সংগৃহীত

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব আগামী ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসছেন। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ইতিবাচক আবহ তৈরির বার্তা নিয়েই ঢাকায় আসবেন তিনি। শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের আলোকে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক যে তলানিতে ঠেকেছে, তা গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার।

এসময় প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের ভালো সম্পর্ক রাখার প্রয়াস আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতে বদ্ধপরিকর ভারত। তাই দ্রুত দিল্লি এবং ঢাকার সমন্বয় তৈরি করার জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বসতে চায় ভারত সরকার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও অভ্যন্তরীণ নানা ইস্যু নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার অপতথ্যের পাশাপাশি দেশটির রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যেও দেখা গেছে মিথ্যাচার। বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অর্ধশতাব্দী সময়ে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কে এখন সবচেয়ে অবনমন ঘটেছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।

জনপ্রিয়

বেনাপোলে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া

বাংলাদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরিতে বদ্ধপরিকর ভারত: জয়সওয়াল

প্রকাশের সময় : ০৮:৩৮:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব আগামী ৯ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সফরে আসছেন। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে ইতিবাচক আবহ তৈরির বার্তা নিয়েই ঢাকায় আসবেন তিনি। শুক্রবার (৬ ডিসেম্বর) দিল্লিতে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহের আলোকে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক যে তলানিতে ঠেকেছে, তা গোটা বিশ্বের কাছে পরিষ্কার।

এসময় প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের ভালো সম্পর্ক রাখার প্রয়াস আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতে বদ্ধপরিকর ভারত। তাই দ্রুত দিল্লি এবং ঢাকার সমন্বয় তৈরি করার জন্য বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে বসতে চায় ভারত সরকার।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও অভ্যন্তরীণ নানা ইস্যু নিয়ে ভারতীয় মিডিয়ার অপতথ্যের পাশাপাশি দেশটির রাজনৈতিক নেতাদের বক্তব্যেও দেখা গেছে মিথ্যাচার। বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অর্ধশতাব্দী সময়ে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক কূটনৈতিক সম্পর্কে এখন সবচেয়ে অবনমন ঘটেছে বলে মনে করছেন কেউ কেউ।