শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থাই সংগীতশিল্পীর করুণ মৃত্যু

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১২:১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৩৯

ছবি-সংগৃহীত

মারা গেছেন থাইল্যান্ডের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ছায়াদা প্রাও-হোম। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ উদন থানির একটি দোকান থেকে মেসেজ নেয়ার পর মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২০ বছর।

ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, তিনটি মেসেজ নিয়েছিলেন গায়িকা ছায়াদা। এর মধ্যে দুটিই ছিল ঘাড়ের মেসেজ। রোববার ভোর ৬টার দিকে একটি হাসপাতালের আইসিইউতে রক্তের সংক্রমণ ও মস্তিষ্ক ফুলে যাওয়া সংক্রান্ত জটিলতা থেকে মৃত ঘোষণা করা হয় তাকে।

এ গায়িকার মৃত্যুর ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার বয়ফ্রেন্ড জানিয়েছেন, গত ৫ অক্টোবর একটি শোয়ের পর ছায়াদা তাকে বলেছিলেন, তার পিঠে ব্যথা। এ কারণে উদন থানির একটি মেসেজ শপে নেয়ার কথা বলেছিলেন ছায়াদা।

তিনি জানান, গায়িকা মেসেজ নেয়ার পর তার শরীরের অর্ধেক অসাড় বোধ করতে থাকেন। বাম হাত অবশ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুরো শরীর অবশ হয়ে যায়। ফলে আর শরীর নাড়াতে পারেনি।

গত ৬ নভেম্বর সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক পেজে গায়িকা ছায়াদা তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপডেট জানিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, প্রায় এক মাসে তিনবার একই মেসেজ শপে গিয়েছেন। প্রথম দু’বার তাকে একই রুমে চিকিৎসা করা হয়েছিল। যিনি ঘাড় মোচড় দিয়েছিলেন। তৃতীয়বার একজন নতুন ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন।

এ গায়িকা জানিয়েছেন, মেসেজ নেয়ার আগ পর্যন্ত তার শুধু কাঁধে ব্যথা ছিল। প্রথমবার মেসেজ নেয়ার দু’দিন পর মাথার পেছনে ব্যথা শুরু হয় এবং এ জন্য অ্যান্টিবায়োটিক নেন। এর এক সপ্তাহ পর হাতের বাহু অবশ হতে থাকে। দ্বিতীয়বার মেসেজ নেয়ার দুই সপ্তাহ পর শরীর প্রচুর ব্যথা হয় এবং শক্ত হতে থাকে। এ কারণে বিছানায়ও যেতে পারছিলেন না তিনি।

তৃতীয়বার ছায়াদা একজন মেসেজ প্রদানকারীর সঙ্গে দেখা করেন। যার হাত বেশ ভারী ছিল। এ সময় এক সপ্তাহ ধরে তার শরীর ফোলা এবং ক্ষত ছিল। এ পর্যায়েও অ্যান্টিবায়োটিক অব্যাহত রেখেছিলেন গায়িকা ছায়াদা।

এদিকে ছায়াদার মৃত্যুতে ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ সার্ভিস সাপোর্টের (এইচএসএস) ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল আরকোম প্রদিতসুওয়া বলেছেন, আমাদের কর্মকর্তারা যাচাই করে দেখবেন, ছায়াদা যেখান থেকে মেসেজ নিয়েছেন সেটির সার্ভিস প্রদানের কোনো লাইসেন্স আছে কিনা।

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে নুরুজ্জামান লিটন ও আজিজুর রহমানের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

থাই সংগীতশিল্পীর করুণ মৃত্যু

প্রকাশের সময় : ১২:১০:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪

মারা গেছেন থাইল্যান্ডের বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী ছায়াদা প্রাও-হোম। দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ উদন থানির একটি দোকান থেকে মেসেজ নেয়ার পর মারা গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ২০ বছর।

ব্যাংকক পোস্টের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, তিনটি মেসেজ নিয়েছিলেন গায়িকা ছায়াদা। এর মধ্যে দুটিই ছিল ঘাড়ের মেসেজ। রোববার ভোর ৬টার দিকে একটি হাসপাতালের আইসিইউতে রক্তের সংক্রমণ ও মস্তিষ্ক ফুলে যাওয়া সংক্রান্ত জটিলতা থেকে মৃত ঘোষণা করা হয় তাকে।

এ গায়িকার মৃত্যুর ব্যাপারে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তার বয়ফ্রেন্ড জানিয়েছেন, গত ৫ অক্টোবর একটি শোয়ের পর ছায়াদা তাকে বলেছিলেন, তার পিঠে ব্যথা। এ কারণে উদন থানির একটি মেসেজ শপে নেয়ার কথা বলেছিলেন ছায়াদা।

তিনি জানান, গায়িকা মেসেজ নেয়ার পর তার শরীরের অর্ধেক অসাড় বোধ করতে থাকেন। বাম হাত অবশ হয়ে যায়। পরবর্তীতে পুরো শরীর অবশ হয়ে যায়। ফলে আর শরীর নাড়াতে পারেনি।

গত ৬ নভেম্বর সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুক পেজে গায়িকা ছায়াদা তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে আপডেট জানিয়েছিলেন। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, প্রায় এক মাসে তিনবার একই মেসেজ শপে গিয়েছেন। প্রথম দু’বার তাকে একই রুমে চিকিৎসা করা হয়েছিল। যিনি ঘাড় মোচড় দিয়েছিলেন। তৃতীয়বার একজন নতুন ব্যক্তি যোগ দিয়েছিলেন।

এ গায়িকা জানিয়েছেন, মেসেজ নেয়ার আগ পর্যন্ত তার শুধু কাঁধে ব্যথা ছিল। প্রথমবার মেসেজ নেয়ার দু’দিন পর মাথার পেছনে ব্যথা শুরু হয় এবং এ জন্য অ্যান্টিবায়োটিক নেন। এর এক সপ্তাহ পর হাতের বাহু অবশ হতে থাকে। দ্বিতীয়বার মেসেজ নেয়ার দুই সপ্তাহ পর শরীর প্রচুর ব্যথা হয় এবং শক্ত হতে থাকে। এ কারণে বিছানায়ও যেতে পারছিলেন না তিনি।

তৃতীয়বার ছায়াদা একজন মেসেজ প্রদানকারীর সঙ্গে দেখা করেন। যার হাত বেশ ভারী ছিল। এ সময় এক সপ্তাহ ধরে তার শরীর ফোলা এবং ক্ষত ছিল। এ পর্যায়েও অ্যান্টিবায়োটিক অব্যাহত রেখেছিলেন গায়িকা ছায়াদা।

এদিকে ছায়াদার মৃত্যুতে ডিপার্টমেন্ট অব হেলথ সার্ভিস সাপোর্টের (এইচএসএস) ডেপুটি ডিরেক্টর-জেনারেল আরকোম প্রদিতসুওয়া বলেছেন, আমাদের কর্মকর্তারা যাচাই করে দেখবেন, ছায়াদা যেখান থেকে মেসেজ নিয়েছেন সেটির সার্ভিস প্রদানের কোনো লাইসেন্স আছে কিনা।