মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, ৩০ ইসরায়েলি গ্রেপ্তার

ছবি-সংগৃহীত

ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ তুলে অন্তত ৩০ নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। গ্রেপ্তার ৩০ জনের মধ্যে অধিকাংশই ইহুদি ধর্মাবলম্বী।গতকাল বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে এটি তেহরানের সবচেয়ে বড় গুপ্তচরবৃত্তির প্রচেষ্টা উল্লেখ করেছে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেট। সংস্থাটি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার নাগরিকরা নয়টি গোপন সেলে ভাগ হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছিলেন। তাদের একটি সেলের দায়িত্ব ছিল ইসরায়েলের একজন পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা করা। আরেকটির দায়িত্ব ছিল ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা।

নিরাপত্তা বিভাগের সূত্র জানিয়েছে, প্রায় দুই বছর ধরে সাধারণ ইসরায়েলি নাগরিকদের অর্থের বিনিময়ে তথ্য সংগ্রহ এবং হামলার পরিকল্পনার কাজে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করছে ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা।

শিন বেটের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা শালোম বেন হানান বলেন, এটি একটি বড় ঘটনা। জেনে-বুঝে ইহুদি নাগরিকদের ইরানের হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া বিস্ময়কর।

অতীতে ইসরায়েলের উচ্চপদস্থ ব্যবসায়ী বা রাজনীতিবিদদের গুপ্তচর হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করেছে তেহরান। এবার যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে আসা।

এদের মধ্যে রয়েছেন সম্প্রতি ইসরায়েলে আসা অভিবাসী, পলাতক সেনা কর্মকর্তা এবং একজন দণ্ডপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী। নভেম্বরে ইসরায়েল দাবি করেছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েও ইসরায়েলে গুপ্তচর নিয়োগ দিচ্ছে তেহরান।

তেহরান এই ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে ইরানের জাতিসংঘ মিশন এক বিবৃতিতে জানায়, ‘যুক্তিযুক্ত দৃষ্টিকোণ থেকে’ ইরানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সন্দেহ কমাতে ইরানি ও মুসলিমদের গুপ্তচর হিসেবে নিয়োগ দিতে চাইবে না।

জনপ্রিয়

চৌগাছায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদকসহ গ্রেপ্তার ৩

গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ, ৩০ ইসরায়েলি গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ১০:০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

ইরানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ তুলে অন্তত ৩০ নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। গ্রেপ্তার ৩০ জনের মধ্যে অধিকাংশই ইহুদি ধর্মাবলম্বী।গতকাল বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্স এই তথ্য জানিয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে এটি তেহরানের সবচেয়ে বড় গুপ্তচরবৃত্তির প্রচেষ্টা উল্লেখ করেছে ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেট। সংস্থাটি জানিয়েছে, গ্রেপ্তার নাগরিকরা নয়টি গোপন সেলে ভাগ হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছিলেন। তাদের একটি সেলের দায়িত্ব ছিল ইসরায়েলের একজন পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যা করা। আরেকটির দায়িত্ব ছিল ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটি ও বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করা।

নিরাপত্তা বিভাগের সূত্র জানিয়েছে, প্রায় দুই বছর ধরে সাধারণ ইসরায়েলি নাগরিকদের অর্থের বিনিময়ে তথ্য সংগ্রহ এবং হামলার পরিকল্পনার কাজে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করছে ইরানের গোয়েন্দা সংস্থা।

শিন বেটের সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তা শালোম বেন হানান বলেন, এটি একটি বড় ঘটনা। জেনে-বুঝে ইহুদি নাগরিকদের ইরানের হয়ে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া বিস্ময়কর।

অতীতে ইসরায়েলের উচ্চপদস্থ ব্যবসায়ী বা রাজনীতিবিদদের গুপ্তচর হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করেছে তেহরান। এবার যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই সমাজের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী থেকে আসা।

এদের মধ্যে রয়েছেন সম্প্রতি ইসরায়েলে আসা অভিবাসী, পলাতক সেনা কর্মকর্তা এবং একজন দণ্ডপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী। নভেম্বরে ইসরায়েল দাবি করেছিল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট দিয়েও ইসরায়েলে গুপ্তচর নিয়োগ দিচ্ছে তেহরান।

তেহরান এই ব্যাপারে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে ইরানের জাতিসংঘ মিশন এক বিবৃতিতে জানায়, ‘যুক্তিযুক্ত দৃষ্টিকোণ থেকে’ ইরানি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সন্দেহ কমাতে ইরানি ও মুসলিমদের গুপ্তচর হিসেবে নিয়োগ দিতে চাইবে না।