
প্রায় ১৫ মাস ধরে চলা যুদ্ধে এ পর্যন্ত গাজায় ৪৫ হাজারের বেশি বেসামরিক মানুষ হত্যা করেছে দখলদার দেশ ইসরায়েল। আহত হয়েছেন প্রায় দেড় লাখ সাধারণ ফিলিস্তিনি। হাসপাতালগুলোর মর্গে লাশ রাখার জায়গা নেই, আহতদের সেবা দেওয়ার মতো উপকরণও ফুরিয়ে এসেছে, বেশ কিছু হাসপাতাল বন্ধ হয়ে গিয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অভাবে। খাবার, পানি ও বিদ্যুৎ সংকট পুরো উপত্যাকাজুড়ে। এমতাবস্থায় হামাস ও ইসরায়েল উভয় পক্ষের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর করে গাজায় নারকীয় কাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রধান তেদ্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসাস।
উত্তর গাজায় গত দুই মাস ধরে অবিরত হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েলি বাহিনী। সেখানে মাত্র একটি হাসপাতাল সচল আছে যার অবস্থা খুবই ভয়াবহ। কামাল আদওয়ান নামে ওই হাসপাতালের পরিস্থিতি সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘হাসপাতালটির অবস্থা খুবই ভয়াবহ। আমরা স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য দ্রুত যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানাই।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে তিনি বলেছেন, দুই দিন আগেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কর্মীরা ইসরায়েলি নৃশংসতা এবং বোমা হামলার মধ্যেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সরঞ্জামসহ সেখানে পৌঁছেছে। কিন্তু ইসরায়েলি সেনাদের বাধায় কাজ করতে বেশ সমস্যা হচ্ছে স্বাস্থ্যকর্মীদের।
এদিকে গতকাল মঙ্গলবারও গাজায় হামলা চালিয়ে ১৪ জনকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। এর মধ্যে একটি আবাসিক ভবনে পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই হামলা চালায়। এতে একই পরিবারের ১০ জন নিহত হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত সাড়ে ১৩ হাজার ইসরায়েলি সেনা আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২৮৭ জন মাথায় আঘাত পেয়েছেন, যার ৮৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। আহতদের মধ্যে ৫ হাজার ২০০ জন মানসিক রোগে ভুগছেন। উদ্বেগ ও বিষণ্নতায় ভুগছেন ৩ হাজার ৩৫০ জন সেনা। সূত্র: আল-জাজিরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 



































