
অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে কঙ্গোর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বুসিরা নদীতে একটি ফেরি ডুবে ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় শতাধিক যাত্রী নিখোঁজ বলে জানা গেছে। শনিবারের (২১ ডিসেম্বর) এই দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় প্রশাসন জানায়, এখন পর্যন্ত ২০ জন যাত্রীকে উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনার চার দিনে আগে একই অঞ্চলে নৌকা ডুবে ২৫ জন মারা গিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে বুসরা নদীতীরবর্তী শহর ইংগেন্ডের মেয়র জোসেফ কাঙ্গলিঙ্গলি জানান, ফেরির বেশিরভাগ যাত্রী বড়দিনের ছুটিতে ঘরে ফিরছিলেন।
দুর্ঘটনার বিষয়ে ইংগেন্ডে শহরের বাসিন্দা এন্ডোলো কাড্ডি বলেন, ‘দুটি নদীবন্দর থেকে ফেরিটিতে চার শতাধিক যাত্রী নেওয়া হয়েছিল। মৃতের সংখ্যা আরও অনেক বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
কঙ্গো প্রশাসনের কয়েক দফায় সতর্কতা সত্ত্বেও ফেরিগুলো ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী নেয়।
সড়কপথের অপর্যাপ্ততা, নিরাপত্তার অভাব ও অর্থনৈতিক টানাপোড়েনের কারণে কম খরচের ফেরিতেই বেশিরভাগ মানুষ যাতায়ত করেন। এর আগে অক্টোবর ও জুনে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে নৌকা ডুবে যথাক্রমে ৭৮ ও ৮০ জন মারা যান।
শনিবারের ঘটনায় চটেছে কঙ্গো প্রশাসন। পর্যাপ্ত লাইফ জ্যাকেটের ব্যবস্থা না থাকায় সংশ্লিষ্টদের শাস্তির ঘোষণা দিয়েছেন তারা। স্থানীয় সরকারের প্রভাবশালী নেতা নেস্তি বনিনা সাম্প্রতিক দুর্ঘটনাগুলোতে কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক অক্ষমতার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত নজরদারি না থাকায় রাতে ঝুঁকি নিয়ে ফেরি চলাচল করেছে। এই অবহেলার কারণের আবার আমরা এতোগুলো প্রাণ হারালাম। মধ্য আফ্রিকার এই দেশটিতে নৌকা ডুবে মৃত্যুর ঘটনা চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কঙ্গোর রাষ্ট্রায়ত্ত্ব নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে স্থানীয় বিদ্রোহীগোষ্ঠীর দ্বন্দ্বের কারণে বেশিরভাগ বাসিন্দা সড়কবিমুখ হয়ে পড়ায় নৌপথে চাপ বেড়েছে বলে জানান এক কর্মকর্তা। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 







































