শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আরও ২ বছর সময় দিতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারকে: নুর

ছবি- সংগৃহীত

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আরও দুই বছর সময় দিতে হবে বলে জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। রবিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনের সামনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, শেখ হাসিনার পতন না ঘটলে আরও ৪ বছর থাকতো, তাই এই সরকারকে দুই বছর সময় দিলে কোনো ক্ষতি নেই। দেশের সংস্কারের ক্ষেত্রে এই সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে।

তিনি বলেন, কোনো উপদেষ্টা ব্যর্থ হলে সমালোচনা করতে হবে, দরকার হলে তাদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করতে হবে। কিন্তু দেশের সংস্কার কাজ ও গণহত্যার বিচারগুলো এই সরকারকেই করতে হবে।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, শুধু পুলিশের সংস্কার নয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বিচারবিভাগ, নির্বাচন কমিশন, সশস্ত্র বাহিনীসহ সব ক্ষেত্রে সংস্কার লাগবে। গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনা সকল সেক্টরে তাদের দোসরদের বসিয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছিল। সেদিন ঢাবির প্রক্টরকে কল দিয়েও সহযোগিতা পাইনি, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের হামলাগুলোর পিছনে ঢাবির প্রক্টর গোলাম রব্বানী ছাত্রলীগকে সহযোগিতা করতো। ছাত্রলীগের সকল অপকর্মের দায় গোলাম রাব্বানী ও সাবেক ভিসি আখতারুজ্জামানকে নিতে হবে।

আলোচনা সভায় দলটির সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার সভাপতি সানাউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ, অর্থনীতির শিক্ষক রাশাদ ফরিদীসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে অযোগ্য ঘোষণার দাবি আখতার হোসেনের

আরও ২ বছর সময় দিতে হবে অন্তর্বর্তী সরকারকে: নুর

প্রকাশের সময় : ১০:০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আরও দুই বছর সময় দিতে হবে বলে জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর। রবিবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ভবনের সামনে এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল হক নুর বলেন, শেখ হাসিনার পতন না ঘটলে আরও ৪ বছর থাকতো, তাই এই সরকারকে দুই বছর সময় দিলে কোনো ক্ষতি নেই। দেশের সংস্কারের ক্ষেত্রে এই সরকারকে সহযোগিতা করতে হবে।

তিনি বলেন, কোনো উপদেষ্টা ব্যর্থ হলে সমালোচনা করতে হবে, দরকার হলে তাদের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করতে হবে। কিন্তু দেশের সংস্কার কাজ ও গণহত্যার বিচারগুলো এই সরকারকেই করতে হবে।

গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, শুধু পুলিশের সংস্কার নয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, বিচারবিভাগ, নির্বাচন কমিশন, সশস্ত্র বাহিনীসহ সব ক্ষেত্রে সংস্কার লাগবে। গত ১৫ বছরে শেখ হাসিনা সকল সেক্টরে তাদের দোসরদের বসিয়েছে।

তিনি বলেন, ২০১৯ সালের ২২ ডিসেম্বর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা করা হয়েছিল। সেদিন ঢাবির প্রক্টরকে কল দিয়েও সহযোগিতা পাইনি, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের হামলাগুলোর পিছনে ঢাবির প্রক্টর গোলাম রব্বানী ছাত্রলীগকে সহযোগিতা করতো। ছাত্রলীগের সকল অপকর্মের দায় গোলাম রাব্বানী ও সাবেক ভিসি আখতারুজ্জামানকে নিতে হবে।

আলোচনা সভায় দলটির সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হাসান, ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার সভাপতি সানাউল্লাহ, সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দিন আহমেদ, অর্থনীতির শিক্ষক রাশাদ ফরিদীসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।