বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি বন্ধে থাকবে মোবাইল কোর্ট

ছবি-সংগৃহীত

থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি বা পটকা না ফোটানোর আহ্বান জানিয়ে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আতশবাজি ফোটানো বন্ধে পরিবেশ মন্ত্রণালয় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সিনেট ভবনে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমকে স্ক্রল দিতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, আজকে যেন কোনো আতশবাজি, পটকা না ফোটানো হয়। আজ সন্ধ্যার পর থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

তিনি জানান, আমরা গাছ সুরক্ষা আইনের জন্যে একটি আইন করছি। এই আইনের মধ্যে পেরেক ঠুকে বিজ্ঞাপন বন্ধ করার একটি আইন সংযোগ করা হবে। এটা আইনি বিধান অনুযায়ী যখন আসবে তখন এতে শাস্তির বিধানও চলে আসবে বলে জানান তিনি।

এর আগে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো এবং ফানুস উড়ানো বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্তের কথা জানায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর কারণে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ হয়। অতিরিক্ত শব্দদূষণে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও মানসিক চাপের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া, ফানুস উড়ানোর ফলে অগ্নিকাণ্ড ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী এসব কার্যক্রম দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রথমবার আইন লঙ্ঘনে ১ মাসের জেল বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। পুনরায় অপরাধ করলে ৬ মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।

জনপ্রিয়

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি বন্ধে থাকবে মোবাইল কোর্ট

প্রকাশের সময় : ০১:২৯:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

থার্টি-ফার্স্ট নাইটে আতশবাজি বা পটকা না ফোটানোর আহ্বান জানিয়ে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, আতশবাজি ফোটানো বন্ধে পরিবেশ মন্ত্রণালয় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করবে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে সিনেট ভবনে তিনি এ কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমকে স্ক্রল দিতে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি, আজকে যেন কোনো আতশবাজি, পটকা না ফোটানো হয়। আজ সন্ধ্যার পর থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

তিনি জানান, আমরা গাছ সুরক্ষা আইনের জন্যে একটি আইন করছি। এই আইনের মধ্যে পেরেক ঠুকে বিজ্ঞাপন বন্ধ করার একটি আইন সংযোগ করা হবে। এটা আইনি বিধান অনুযায়ী যখন আসবে তখন এতে শাস্তির বিধানও চলে আসবে বলে জানান তিনি।

এর আগে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো এবং ফানুস উড়ানো বন্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্তের কথা জানায় পরিবেশ মন্ত্রণালয়। গতকাল সোমবার মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর কারণে শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ হয়। অতিরিক্ত শব্দদূষণে হৃদরোগ, স্ট্রোক ও মানসিক চাপের ঝুঁকি বাড়ে। এছাড়া, ফানুস উড়ানোর ফলে অগ্নিকাণ্ড ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ অনুযায়ী এসব কার্যক্রম দণ্ডনীয় অপরাধ। প্রথমবার আইন লঙ্ঘনে ১ মাসের জেল বা ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে। পুনরায় অপরাধ করলে ৬ মাসের জেল বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড হতে পারে।