শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজধানীতে অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন

ছবি-সংগৃহীত

থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। রাজধানীতে অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারের প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও মোড়ে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দারা সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করবেন।

এদিকে, থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ডিএমপির পক্ষ থেকে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স (অর্ডিন্যান্স নং-III/৭৬) এর ধারা ২৮ ও ২৯-এ অর্পিত ক্ষমতাবলে ডিএমপি ১১টি নির্দেশনা জারি করেছে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডিএমপির নির্দেশনায় বলা হয়েছে:

১. থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে অনুমতি ব্যতীত উন্মুক্ত স্থানে কোনও ধরনের অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ, গণ-জমায়েত, নাচ-গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‍্যালি ও শোভাযাত্রা করা যাবে না।

২. থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকায় কোনও ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো নিষিদ্ধ।

৩. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর এলাকায় সকল বার বন্ধ থাকবে।

৪. আবাসিক হোটেলগুলো সীমিত আকারে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান করতে পারবে।

৫. ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্তোরা, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সকল প্রকার লাইসেন্স কৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না।

৬. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে স্ব স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন এবং রাত ৮টার পরে প্রবেশের ক্ষেত্রে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যবৃন্দকে পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে।

৭. গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত সম্মানিত নাগরিকবৃন্দকে ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে স্ব স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করা হলো।

৮. গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতরা প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে, এ এলাকায় বসবাসরত সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ নির্ধারিত সময়ের পর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং দিয়ে পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন।

৯. হাতির ঝিল এলাকায় সন্ধ্যা ৬টা পর থেকে কোনও সমাবেশ বা অনুষ্ঠান করা যাবে না এবং কোনও যানবাহন থামিয়ে অথবা পার্কিং করে কেউ অবস্থান করতে পারবেন না।

১০. একইভাবে উপর্যুক্ত সময়ে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যেসব নাগরিক বসবাস করেন না, তাদেরকে বর্ণিত এলাকায় গমনের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হলো।

১১. উচ্চ শব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনও গান-বাজনা চালানো যাবে না।

জনপ্রিয়

‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ফটোকার্ড শেয়ার ড. ইউনূসের

রাজধানীতে অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৯:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। রাজধানীতে অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারের প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান।

ডিএমপি কমিশনার জানান, রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট ও মোড়ে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দারা সাদা পোশাকে দায়িত্ব পালন করবেন।

এদিকে, থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে ডিএমপির পক্ষ থেকে কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্স (অর্ডিন্যান্স নং-III/৭৬) এর ধারা ২৮ ও ২৯-এ অর্পিত ক্ষমতাবলে ডিএমপি ১১টি নির্দেশনা জারি করেছে।

ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

ডিএমপির নির্দেশনায় বলা হয়েছে:

১. থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে অনুমতি ব্যতীত উন্মুক্ত স্থানে কোনও ধরনের অনুষ্ঠান, সভা-সমাবেশ, গণ-জমায়েত, নাচ-গান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, র‍্যালি ও শোভাযাত্রা করা যাবে না।

২. থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে ঢাকা মহানগর এলাকায় কোনও ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো ও ফানুস ওড়ানো নিষিদ্ধ।

৩. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি সকাল ৮টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগর এলাকায় সকল বার বন্ধ থাকবে।

৪. আবাসিক হোটেলগুলো সীমিত আকারে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠান করতে পারবে।

৫. ইংরেজি নববর্ষের প্রাক্কালে ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল, রেস্তোরা, জনসমাবেশ ও উৎসবস্থলে সকল প্রকার লাইসেন্স কৃত আগ্নেয়াস্ত্র বহন করা যাবে না।

৬. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসরত শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে স্ব স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তন করবেন এবং রাত ৮টার পরে প্রবেশের ক্ষেত্রে কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যবৃন্দকে পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে।

৭. গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় বসবাসরত সম্মানিত নাগরিকবৃন্দকে ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টার মধ্যে স্ব স্ব এলাকায় প্রত্যাবর্তনের জন্য অনুরোধ করা হলো।

৮. গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় রাত ৮টার পর বহিরাগতরা প্রবেশ করতে পারবেন না। তবে, এ এলাকায় বসবাসরত সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ নির্ধারিত সময়ের পর কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং দিয়ে পরিচয় প্রদান সাপেক্ষে প্রবেশ করতে পারবেন।

৯. হাতির ঝিল এলাকায় সন্ধ্যা ৬টা পর থেকে কোনও সমাবেশ বা অনুষ্ঠান করা যাবে না এবং কোনও যানবাহন থামিয়ে অথবা পার্কিং করে কেউ অবস্থান করতে পারবেন না।

১০. একইভাবে উপর্যুক্ত সময়ে সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে গুলশান, বনানী, বারিধারা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক এলাকায় যেসব নাগরিক বসবাস করেন না, তাদেরকে বর্ণিত এলাকায় গমনের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করা হলো।

১১. উচ্চ শব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনও গান-বাজনা চালানো যাবে না।