মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিসেম্বরে বিজিবির অভিযানে ১৪৮ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

ছবি: সংগৃহীত

গত বছরের ডিসেম্বরে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান চালিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৪৭ কোটি ৮৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের চোরাই পণ্য জব্দ করেছে। এসবের মধ্যে রয়েছে ৪ কেজি ১৯২ গ্রাম সোনা, ১০ কেজি ১২৫ গ্রাম রুপা, ১১ হাজার ৫২৩টি শাড়ি, ৯ হাজার ৬১৭টি থ্রি-পিস/কম্বল।

এ ছাড়া জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে পোশাক, থান কাপড়, কসমেটিক্সসামগ্রী, ইমিটেশন গহনা, আতশবাজি, কাঠ, চা-পাতা, সুপারি, চিনি, সার, বিভিন্ন প্রকার বীজ, কয়লা, সাপের বিষ, ট্রাক, বাস, পিকআপ, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল প্রভৃতি।

জব্দ করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১টি পিস্তল, ১টি রাইফেল, ১টি এয়ার গান, ৫টি ম্যাগাজিন, ১৪ রাউন্ড গুলি, ১টি মর্টার শেল, ১টি গ্রেনেড ও ১টি রকেট গোলা।

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০৮ জন চোরাচালানি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৪২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও ১৮ জন ভারতীয় নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছে বিজিবি।

এ ছাড়া বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকালে মায়ানমারের ৭৭২ জন নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় যশোরে দোয়া মাহফিল

ডিসেম্বরে বিজিবির অভিযানে ১৪৮ কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ

প্রকাশের সময় : ০৪:১৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জানুয়ারী ২০২৫

গত বছরের ডিসেম্বরে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ অন্যান্য স্থানে অভিযান চালিয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ১৪৭ কোটি ৮৪ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের চোরাই পণ্য জব্দ করেছে। এসবের মধ্যে রয়েছে ৪ কেজি ১৯২ গ্রাম সোনা, ১০ কেজি ১২৫ গ্রাম রুপা, ১১ হাজার ৫২৩টি শাড়ি, ৯ হাজার ৬১৭টি থ্রি-পিস/কম্বল।

এ ছাড়া জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে পোশাক, থান কাপড়, কসমেটিক্সসামগ্রী, ইমিটেশন গহনা, আতশবাজি, কাঠ, চা-পাতা, সুপারি, চিনি, সার, বিভিন্ন প্রকার বীজ, কয়লা, সাপের বিষ, ট্রাক, বাস, পিকআপ, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল প্রভৃতি।

জব্দ করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ১টি পিস্তল, ১টি রাইফেল, ১টি এয়ার গান, ৫টি ম্যাগাজিন, ১৪ রাউন্ড গুলি, ১টি মর্টার শেল, ১টি গ্রেনেড ও ১টি রকেট গোলা।

সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইয়াবাসহ বিভিন্ন প্রকার মাদক পাচার ও অন্যান্য চোরাচালানে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০৮ জন চোরাচালানি এবং অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৪২৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক ও ১৮ জন ভারতীয় নাগরিককে আটকের পর তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছে বিজিবি।

এ ছাড়া বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকালে মায়ানমারের ৭৭২ জন নাগরিককে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।