মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সংবিধান কারও বাপের না: হাসনাত

ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করেছেন সংবিধানকে কোনো ব্যক্তির মালিকানাধীন নয়। তিবি বলেন, ‘সংবিধান কারও বাপের না’। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, ‘বংশগত আর রক্তের বড়াই দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিদের যে অসম সুবিধা দেওয়া হত, আজকাল সংবিধান কমিটির সদস্যদের সন্তানদের সেরকম অসমভাবে মুজিববাদী সংবিধানের পক্ষে দাঁড়াতে দেখা যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে কমিটি এই ৭২’এর সংবিধান করেছে, সে কমিটি পাকিস্তানের সংবিধান বানানোর ম্যান্ডেট নিয়ে তারা ভোট পেয়েছিলেন।না মানে মনে করাই দিলাম।’

এর আগে, সোমবার বিকেলে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আয়োজিত এক ছাত্র সমাবেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বর্তমান সরকার ও বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রে জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য আমরা এ সমাবেশের আয়োজন করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হয়েছে, কিন্তু জানুয়ারির ৬ তারিখ পর্যন্ত একটি দৃশ্যমান বিচারও আমরা পাইনি। ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড, এবং ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের কারচুপির অভিযোগে হওয়া নির্বাচনগুলো—এর কোনোটিরই বিচার হয়নি। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আমাদের স্পষ্ট বার্তা, যদি আপনাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চান, তবে অবশ্যই এই বিচারগুলো নিশ্চিত করতে হবে।’

সমাবেশে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এই বিচারগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে, যদি সরকার এই বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেয়।’

জনপ্রিয়

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

সংবিধান কারও বাপের না: হাসনাত

প্রকাশের সময় : ০১:৩২:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ মন্তব্য করেছেন সংবিধানকে কোনো ব্যক্তির মালিকানাধীন নয়। তিবি বলেন, ‘সংবিধান কারও বাপের না’। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে বুধবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

হাসনাত আবদুল্লাহ লিখেছেন, ‘বংশগত আর রক্তের বড়াই দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি-নাতনিদের যে অসম সুবিধা দেওয়া হত, আজকাল সংবিধান কমিটির সদস্যদের সন্তানদের সেরকম অসমভাবে মুজিববাদী সংবিধানের পক্ষে দাঁড়াতে দেখা যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘যে কমিটি এই ৭২’এর সংবিধান করেছে, সে কমিটি পাকিস্তানের সংবিধান বানানোর ম্যান্ডেট নিয়ে তারা ভোট পেয়েছিলেন।না মানে মনে করাই দিলাম।’

এর আগে, সোমবার বিকেলে ফরিদপুরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ মাঠে আয়োজিত এক ছাত্র সমাবেশে হাসনাত আবদুল্লাহ বর্তমান সরকার ও বিচার ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সমাবেশে তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্রে জনআকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য আমরা এ সমাবেশের আয়োজন করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠন হয়েছে, কিন্তু জানুয়ারির ৬ তারিখ পর্যন্ত একটি দৃশ্যমান বিচারও আমরা পাইনি। ২০০৯ সালের পিলখানা হত্যাকাণ্ড, শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ড, এবং ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের কারচুপির অভিযোগে হওয়া নির্বাচনগুলো—এর কোনোটিরই বিচার হয়নি। এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আমাদের স্পষ্ট বার্তা, যদি আপনাদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াতে চান, তবে অবশ্যই এই বিচারগুলো নিশ্চিত করতে হবে।’

সমাবেশে তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য এই বিচারগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে, যদি সরকার এই বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ না নেয়।’