সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুশাসন প্রতিষ্ঠার কারণে দেশ থেকে টাকা পাচার বন্ধ হয়েছে :গভর্নর

  • ঢাকা ব্যুরো।।
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১০৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মুনসুর জানিয়েছেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার কারণে দেশ থেকে টাকা পাচার বন্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও রেমিট্যান্স প্রবাহ স্মরণকালের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রণোদনার ভূমিকা নিয়ে গভর্নর জানান, প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য ২.৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে, যা সরকারের বছরে ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে।

দুবাইয়ের মাধ্যমে অর্থপ্রবাহ এবং সতর্কতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবকে ছাড়িয়ে রেমিট্যান্স পাঠানোয় বর্তমানে দুবাই শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। তবে এটি উদ্বেগের বিষয়, কারণ সৌদি আরব থেকে অর্থ প্রথমে দুবাই আসছে, তারপর বাংলাদেশে। দুবাইয়ের কিছু প্রতিষ্ঠান মুদ্রা বিনিময় হারে কারসাজি করার চেষ্টা করছে বলে গভর্নর সতর্ক করেন।

রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৩ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা একক মাসের ক্ষেত্রে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

২০২৪ সালে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ২২.৬৮ শতাংশ বা ৪৯৭ কোটি ২০ লাখ ডলার বেশি।

গভর্নর প্রবাসীদের সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর আহ্বান জানান এবং সুশাসনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

জনপ্রিয়

বাংলাদেশ নতি স্বীকার করবে না, আসিফ নজরুলের কড়া হুঁশিয়ারি

সুশাসন প্রতিষ্ঠার কারণে দেশ থেকে টাকা পাচার বন্ধ হয়েছে :গভর্নর

প্রকাশের সময় : ০৭:৩০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মুনসুর জানিয়েছেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠার কারণে দেশ থেকে টাকা পাচার বন্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতা সত্ত্বেও রেমিট্যান্স প্রবাহ স্মরণকালের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

শনিবার (১১ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রণোদনার ভূমিকা নিয়ে গভর্নর জানান, প্রবাসীদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর জন্য ২.৫ শতাংশ প্রণোদনা দেওয়া হচ্ছে, যা সরকারের বছরে ৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করছে।

দুবাইয়ের মাধ্যমে অর্থপ্রবাহ এবং সতর্কতার কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবকে ছাড়িয়ে রেমিট্যান্স পাঠানোয় বর্তমানে দুবাই শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে। তবে এটি উদ্বেগের বিষয়, কারণ সৌদি আরব থেকে অর্থ প্রথমে দুবাই আসছে, তারপর বাংলাদেশে। দুবাইয়ের কিছু প্রতিষ্ঠান মুদ্রা বিনিময় হারে কারসাজি করার চেষ্টা করছে বলে গভর্নর সতর্ক করেন।

রেমিট্যান্সে নতুন রেকর্ড

২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৬৩ কোটি ৮৭ লাখ মার্কিন ডলার, যা একক মাসের ক্ষেত্রে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।

২০২৪ সালে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৬৮৮ কোটি ৯১ লাখ মার্কিন ডলার, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ২২.৬৮ শতাংশ বা ৪৯৭ কোটি ২০ লাখ ডলার বেশি।

গভর্নর প্রবাসীদের সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর আহ্বান জানান এবং সুশাসনের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে রেমিট্যান্স বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।