শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পূর্ণ স্বাধীনতা চায় গ্রিনল্যান্ড

ছবি-সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্র বা ডেনমার্ক কারও অধীনে থাকতে চায় না গ্রিনল্যান্ড। নিজেদের পূর্ণ স্বাধীনতা দাবি করেছেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মেত এজেদ। সম্প্রতি ড্যানিশ সরকারের সঙ্গে এক সম্মিলিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তোলেন এজেদ।

ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপভূমি গ্রিনল্যান্ড বহু দিন ধরে নিজেদের স্বাধীনতার দাবি তুলে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কেনার ইচ্ছা প্রকাশের পর থেকে নতুন করে ফের নিজেদের স্বাধীনতার দাবি তুললেন অঞ্চলটির অধিবাসীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা জানান, ইউরোপীয় ফ্রি শিক্ষা ও চিকিৎসার সুবিধা পান তারা। আমেরিকা যত শক্তিশালীই হোক, নাগরিক সুবিধা দেওয়ার দিক থেকে আমেরিকানরা ইউরোপের তুলনায় নিঃসন্দেহে পেছনে। তাই আর যা-ই হোক, নাগরিক সুবিধা হারাতে চান না দ্বীপটির অধিবাসীরা।

ড্যানিশরা এতদিন গ্রিনল্যান্ড এবং এর সংস্কৃতিকে বৈষম্যের চোখে দেখেছে। এমনকি ড্যানিশ চিকিৎসক দিয়ে গ্রিনল্যান্ডের নারীদের অজ্ঞাতসারে বন্ধ্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তাই ড্যানিশদের থেকেও বিচ্ছিন্ন হতে চান তারা।

কোন প্রক্রিয়ায় গ্রিনল্যান্ড স্বাধীনতা পাবে সে ব্যাপারে ধারণাও দিয়েছেন এজেদ। গণভোটের মাধ্যমে দেশটির স্বাধীনতা প্রসঙ্গে আসতে পারে বলে মত তার।

জনপ্রিয়

কলারোয়ায় বাস-নছিমন সংঘর্ষে নিহত ১

পূর্ণ স্বাধীনতা চায় গ্রিনল্যান্ড

প্রকাশের সময় : ১২:২৮:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্র বা ডেনমার্ক কারও অধীনে থাকতে চায় না গ্রিনল্যান্ড। নিজেদের পূর্ণ স্বাধীনতা দাবি করেছেন গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী মেত এজেদ। সম্প্রতি ড্যানিশ সরকারের সঙ্গে এক সম্মিলিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি তোলেন এজেদ।

ডেনমার্কের স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপভূমি গ্রিনল্যান্ড বহু দিন ধরে নিজেদের স্বাধীনতার দাবি তুলে আসছে। যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ড কেনার ইচ্ছা প্রকাশের পর থেকে নতুন করে ফের নিজেদের স্বাধীনতার দাবি তুললেন অঞ্চলটির অধিবাসীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে গ্রিনল্যান্ডের অধিবাসীরা জানান, ইউরোপীয় ফ্রি শিক্ষা ও চিকিৎসার সুবিধা পান তারা। আমেরিকা যত শক্তিশালীই হোক, নাগরিক সুবিধা দেওয়ার দিক থেকে আমেরিকানরা ইউরোপের তুলনায় নিঃসন্দেহে পেছনে। তাই আর যা-ই হোক, নাগরিক সুবিধা হারাতে চান না দ্বীপটির অধিবাসীরা।

ড্যানিশরা এতদিন গ্রিনল্যান্ড এবং এর সংস্কৃতিকে বৈষম্যের চোখে দেখেছে। এমনকি ড্যানিশ চিকিৎসক দিয়ে গ্রিনল্যান্ডের নারীদের অজ্ঞাতসারে বন্ধ্যা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তাই ড্যানিশদের থেকেও বিচ্ছিন্ন হতে চান তারা।

কোন প্রক্রিয়ায় গ্রিনল্যান্ড স্বাধীনতা পাবে সে ব্যাপারে ধারণাও দিয়েছেন এজেদ। গণভোটের মাধ্যমে দেশটির স্বাধীনতা প্রসঙ্গে আসতে পারে বলে মত তার।