
জবি প্রতিনিধি:
তাবলীগ জামাতের বিভেদ নিরসনে সরকারের কাছে ইনসাফ ও ন্যায়ভিত্তিক স্থায়ী সমাধান চেয়েছে তাবলীগ জামাতের শিক্ষার্থীদের একটি অংশ। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) বিকালে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির অফিসে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘সচেতন ছাত্র সমাজ’ নামক ব্যানারে তিনটি প্রস্তাবনা তুলে ধরেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে, সংগঠনের প্রতিনিধি তাবলীগ জামাতের বর্তমান বিভেদের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং তারা দাবি করেন, সম্প্রতি দেশব্যাপী তাবলীগ জামাতের পক্ষগুলির মধ্যে চরম বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে যা মুসলিম সমাজের ঐক্য ও শান্তির জন্য হুমকি।
এ সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি ৩টি প্রস্তাব রাখে। তাদের প্রস্তাবগুলো হল– উভয় পক্ষকে তাদের সর্বোচ্চ আমল পরিচালনার সুযোগ দিতে হবে, কাকরাইল মসজিদ, টঙ্গীর ইজতেমা ময়দানসহ দেশের প্রতিটি মসজিদে সমতার ভিত্তিতে তাবলীগ কার্যক্রম পরিচালিত হওয়া উচিত ও উস্কানীমূলক বক্তব্য ও কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে হবে এবং অতীতের অনাকাঙ্ক্ষিত হত্যাকাণ্ডের বিচার বিভাগীয় নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া সংবাদ সম্মেলনে তারা সতর্ক বার্তায় বলেন, যদি সরকার এসব প্রস্তাবনা কার্যকর না করে, তবে তারা পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি আরও জোরালোভাবে পালন করবেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সাইন্স ও ইন্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী ফরহাদ বিন মমিন বলেন, কাকরাইল মসজিদ ব্যবহারে আমরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছি। এতদিন যাবত সাদ পন্থীরা ১৪ দিন ব্যবহার করতেন। এরপর জুবায়ের পন্থীরা ২৮ দিন ব্যবহার করতেন। এক পক্ষ ১৪ দিন এবং অপর পক্ষ ২৮ ব্যবহারে বৈষম্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, কাকরাইল মসজিদ বর্তমানে এক পক্ষ জোরপূর্বক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে রেখেছে। যা বৈষম্যের চরম পর্যায়ের প্রতিফলন। আমরা চাই না মুসলমানদের ভিতর কোনো ঝগড়া ফ্যাসাদ হোক। এগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হোক।
জবি প্রতিনিধি: 







































