শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সনদ তুলতে এসে আটক জবি ছাত্রলীগ নেত্রী

জবি প্রতিনিধি 
স্নাতকের সনদ তুলতে এসে শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের এক নারী কর্মী। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ অ্যাকাডেমিক ভবনের নিচ থেকে তাকে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। তবে তার নামে কোনো মামলা না থাকায় অঙ্গীকারনামা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
আটক ওই ছাত্রলীগ নেত্রীর নাম আফিয়া আনজুম সুপ্তি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বভাগের ২০২৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগ কর্মী আফিয়াকে চিনতে পেরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন তারা। সেখান থেকে পালিয়ে যেতে গেলে প্রধান ফটক্রর সামনে থেকে আটক করেন তারা। আফিয়ার বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগ আনা হয়। পাশাপাশি ফেসবুকে আন্দোলনকারীদের হুমকি-ধামকিও দেন তিনি।
আটক ছাত্রলীগ কর্মী আফিয়া বলেন, আমাকে ২০২৩ সালের আগষ্টে অভ্যন্তরীণ প্রতিহিংসার কারণে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। আমি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে এখন জড়িত না। আমি ৭১কে ধারণ করি, এটাই আমার রাজনীতি। আমি সনদ উঠাতে আসলে আমাকে কয়েকজন ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসে। পরে এখানে এসে কোনো শিক্ষককে না পেলে আমি চলে যেতে চাই। তখন গেট থেকে আমাকে আবার প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসা হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
জনপ্রিয়

সৌদি আরব লাখ লাখ উটকে কেন পাসপোর্ট দিচ্ছে

সনদ তুলতে এসে আটক জবি ছাত্রলীগ নেত্রী

প্রকাশের সময় : ০৯:৫০:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৫
জবি প্রতিনিধি 
স্নাতকের সনদ তুলতে এসে শিক্ষার্থীদের হাতে আটক হয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের এক নারী কর্মী। রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ অ্যাকাডেমিক ভবনের নিচ থেকে তাকে আটক করেন শিক্ষার্থীরা। তবে তার নামে কোনো মামলা না থাকায় অঙ্গীকারনামা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
আটক ওই ছাত্রলীগ নেত্রীর নাম আফিয়া আনজুম সুপ্তি। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বভাগের ২০২৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।
শিক্ষার্থী সূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগ কর্মী আফিয়াকে চিনতে পেরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসেন তারা। সেখান থেকে পালিয়ে যেতে গেলে প্রধান ফটক্রর সামনে থেকে আটক করেন তারা। আফিয়ার বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার অভিযোগ আনা হয়। পাশাপাশি ফেসবুকে আন্দোলনকারীদের হুমকি-ধামকিও দেন তিনি।
আটক ছাত্রলীগ কর্মী আফিয়া বলেন, আমাকে ২০২৩ সালের আগষ্টে অভ্যন্তরীণ প্রতিহিংসার কারণে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। আমি ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে এখন জড়িত না। আমি ৭১কে ধারণ করি, এটাই আমার রাজনীতি। আমি সনদ উঠাতে আসলে আমাকে কয়েকজন ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসে। পরে এখানে এসে কোনো শিক্ষককে না পেলে আমি চলে যেতে চাই। তখন গেট থেকে আমাকে আবার প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসা হয়।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ তাজাম্মুল হক বলেন, তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।