বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিশুকে মাটিতে পুঁতে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় ২ রোহিঙ্গা আটক

ছবি-সংগৃহীত

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ বছরের এক শিশুকে অপহরণের পর মাটিতে পুঁতে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় সম্পৃক্ত দু-জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ ও এপিবিএন। সোমবার (২০ জানুয়ারি) বিকালে উখিয়ার কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ ব্লক থেকে নুর ইসলাম (২১) ও সালাম (২০) নামে দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, ৮ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টার পর শিশু আরকানকে ছোলা-মুড়ি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে। অপহরণের পর শিশু আরাকানকে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। সেখান থেকে শিশুটির বাবা আব্দুর রহমানের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ দিতে না চাইলে অপহরণকারীরা শিশুটির গলা পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রেখে ভিডিও পাঠায় তার বাবার কাছে।

পরে পুলিশের তৎপরতায় ১৭ জানুয়ারি অপহরণকারীরা ভুক্তভোগী আরাকানকে উখিয়ার কুতুপালং বাজারে রেখে চলে যায়। এর তিনদিনের মাথায় নুর ইসলামকে আটক করে পুলিশ।

অপরদিকে, উখিয়াস্থ ৮ এপিবিএনের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক খন্দকার ফজলে রাব্বি বলেন, শিশু আরকানকে অপহরণের পর ভিকটিমের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে । পরিবারটি ভীত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে না জানিয়েই মুক্তিপণ দিয়ে তাকে উদ্ধার করলেও অপহরণকারীদের নির্মম নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যা সারাদেশে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দয়।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ৮ এপিবিএন ব্যাটালিয়ন তৎপর হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে এবং অপরাধীদের শনাক্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়।

এর ধারাবাহিকতায় সোমবার ৮ ও ১৪ এপিবিএন, ক্যাম্প পুলিশ ও উখিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় অপহরণে সরাসরি জড়িত দুই অপহরণকারীকে আটক করা হয়।

আটকরা কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের এফ ব্লকের বাসিন্দা নুর ইসলাম ও সালাম। গ্রেফতারের পর শিশু আরকান (৬) অভিযুক্ত দুই আসামিকে শনাক্ত করে।

জনপ্রিয়

বছরজুড়ে যা যা করল ইবি ছাত্রদল

শিশুকে মাটিতে পুঁতে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় ২ রোহিঙ্গা আটক

প্রকাশের সময় : ০১:৫১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ বছরের এক শিশুকে অপহরণের পর মাটিতে পুঁতে মুক্তিপণ আদায়ের ঘটনায় সম্পৃক্ত দু-জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ ও এপিবিএন। সোমবার (২০ জানুয়ারি) বিকালে উখিয়ার কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এফ ব্লক থেকে নুর ইসলাম (২১) ও সালাম (২০) নামে দুই যুবককে আটক করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কক্সবাজার জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, ৮ জানুয়ারি বিকাল সাড়ে ৪টার পর শিশু আরকানকে ছোলা-মুড়ি খাওয়ানোর প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে। অপহরণের পর শিশু আরাকানকে পার্শ্ববর্তী জঙ্গলে নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। সেখান থেকে শিশুটির বাবা আব্দুর রহমানের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা হয়। মুক্তিপণ দিতে না চাইলে অপহরণকারীরা শিশুটির গলা পর্যন্ত মাটিতে পুঁতে রেখে ভিডিও পাঠায় তার বাবার কাছে।

পরে পুলিশের তৎপরতায় ১৭ জানুয়ারি অপহরণকারীরা ভুক্তভোগী আরাকানকে উখিয়ার কুতুপালং বাজারে রেখে চলে যায়। এর তিনদিনের মাথায় নুর ইসলামকে আটক করে পুলিশ।

অপরদিকে, উখিয়াস্থ ৮ এপিবিএনের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক খন্দকার ফজলে রাব্বি বলেন, শিশু আরকানকে অপহরণের পর ভিকটিমের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে । পরিবারটি ভীত হয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে না জানিয়েই মুক্তিপণ দিয়ে তাকে উদ্ধার করলেও অপহরণকারীদের নির্মম নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়, যা সারাদেশে তীব্র ক্ষোভের জন্ম দয়।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ৮ এপিবিএন ব্যাটালিয়ন তৎপর হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করে এবং অপরাধীদের শনাক্ত প্রক্রিয়া চালিয়ে যায়।

এর ধারাবাহিকতায় সোমবার ৮ ও ১৪ এপিবিএন, ক্যাম্প পুলিশ ও উখিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় অপহরণে সরাসরি জড়িত দুই অপহরণকারীকে আটক করা হয়।

আটকরা কুতুপালং রেজিস্টার্ড ক্যাম্পের এফ ব্লকের বাসিন্দা নুর ইসলাম ও সালাম। গ্রেফতারের পর শিশু আরকান (৬) অভিযুক্ত দুই আসামিকে শনাক্ত করে।