শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তুরস্কে হোটেলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৬৬

ছবি-সংগৃহীত

তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বোলু প্রদেশের কার্তালকায়া স্কি রিসোর্টে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৬৬ জন নিহত এবং ৫১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৩টার দিকে ১১ তলা বিশিষ্ট এই হোটেলের রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে। প্রায় ৪৫ মিনিট পর দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়ারলিকায়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

বোলুর গভর্নর আব্দুল আজিজ আইদিন জানান, হোটেলে ২৩৪ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন। আগুনের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে ভবন থেকে লাফ দিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনার সময় হোটেলের তৃতীয় তলায় অবস্থান করা আতাকান ইয়েলকোভান বলেন, তার স্ত্রী পোড়ার গন্ধ পান, তবে কোনো অ্যালার্ম বাজেনি। উপরের তলাগুলোর লোকজন জানালা দিয়ে চাদর ঝুলিয়ে নামার চেষ্টা করেন বা লাফ দেন।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। তবে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হোটেলের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা কাজ করছিল না, এবং কাঠের আস্তরণের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সরকার ইতিমধ্যে ছয়জন প্রসিকিউটর নিয়োগ করেছে তদন্তের জন্য।

হোটেলের পাহাড়ের ধারে অবস্থান এবং কাঠের নির্মাণশৈলী দমকলকর্মীদের জন্য আগুন নেভানো কঠিন করে তোলে। এনটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, হোটেলের কাঠের আস্তরণই আগুন ছড়ানোর প্রধান কারণ।

এই অগ্নিকাণ্ড তুরস্কে হোটেল নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার দিকটি নতুন করে সামনে এনেছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্তের প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

জনপ্রিয়

‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে ফটোকার্ড শেয়ার ড. ইউনূসের

তুরস্কে হোটেলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৬৬

প্রকাশের সময় : ১০:০৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৫

তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বোলু প্রদেশের কার্তালকায়া স্কি রিসোর্টে একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৬৬ জন নিহত এবং ৫১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ৩টার দিকে ১১ তলা বিশিষ্ট এই হোটেলের রেস্তোরাঁয় আগুন লাগে। প্রায় ৪৫ মিনিট পর দমকলকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলী ইয়ারলিকায়া ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে জানান, হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

বোলুর গভর্নর আব্দুল আজিজ আইদিন জানান, হোটেলে ২৩৪ জন অতিথি অবস্থান করছিলেন। আগুনের ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে ভবন থেকে লাফ দিয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

ঘটনার সময় হোটেলের তৃতীয় তলায় অবস্থান করা আতাকান ইয়েলকোভান বলেন, তার স্ত্রী পোড়ার গন্ধ পান, তবে কোনো অ্যালার্ম বাজেনি। উপরের তলাগুলোর লোকজন জানালা দিয়ে চাদর ঝুলিয়ে নামার চেষ্টা করেন বা লাফ দেন।

অগ্নিকাণ্ডের কারণ এখনো নিশ্চিত নয়। তবে রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, হোটেলের অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা কাজ করছিল না, এবং কাঠের আস্তরণের কারণে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। সরকার ইতিমধ্যে ছয়জন প্রসিকিউটর নিয়োগ করেছে তদন্তের জন্য।

হোটেলের পাহাড়ের ধারে অবস্থান এবং কাঠের নির্মাণশৈলী দমকলকর্মীদের জন্য আগুন নেভানো কঠিন করে তোলে। এনটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, হোটেলের কাঠের আস্তরণই আগুন ছড়ানোর প্রধান কারণ।

এই অগ্নিকাণ্ড তুরস্কে হোটেল নিরাপত্তা ব্যবস্থার ত্রুটি ও দায়িত্বজ্ঞানহীনতার দিকটি নতুন করে সামনে এনেছে। সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্তের প্রতিশ্রুতি ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়ানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।