
ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের শহর জেনিনে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ১০ ফিলিস্তিনি নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা। অন্যদিকে গত ১৫ মাসের আগ্রাসনে ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে ১২০টি মরদেহ উদ্ধার করেছে সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরা।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) গাজার স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বরাত দিয়ে এই তথ্য জানায় আল-জাজিরা।
এর আগে মঙ্গলবার সকালের দিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানায়, তাদের সৈন্য, পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান শুরু করেছে। তবে তারা বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের জাতিসংঘে নিযুক্ত দূত বলেন, ‘ইসরায়েলের পশ্চিম তীর দখল করার ঐতিহাসিক অধিকার’ রয়েছে।
এই হামলার বিষয়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান অভিযান আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনের আরেকটি ধাপ, যা জুদিয়া ও সামারিয়ায় (পশ্চিম তীর) নিরাপত্তা জোরদার করবে।
জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর জানিয়েছে, পশ্চিম তীরের দখলকৃত অঞ্চলে ফিলিস্তিনিদের চলাচলে ব্যাপক বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে এবং অবৈধ ইসরায়েলি বসতিগুলো দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে।
অন্যদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতি শুরুর পরও মৃত মানুষের সারি লম্বা হচ্ছে। ইসরায়েলি হামলা না থাকলেও গত ১৫ মাসে চলা আগ্রাসনের ফলে প্রাণ হারানো ১২০টি পঁচা মরদেহ ধ্বংসস্তুপের নিচ থেকে উদ্ধার করেছে সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানায়, সিভিল ডিফেন্স যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংসস্তূপে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। গত দুই দিনে ১২০টি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা বলছে, ধ্বংসাবশেষের ফলে রাস্তা ব্যবহার করতে না পারায় উদ্ধারপ্রচেষ্টা জটিল হয়ে উঠছে। ইসরায়েলের আক্রমণের ফলে উপত্যকার বেশিরভাগ অংশ সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গেছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 







































