
যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে অভিবাসন রোধে নতুন করে সেনা মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ডিয়েগো এবং টেক্সাসের এল পাসোতে এক হাজার সেনা এবং পাঁচশ নৌ-বাহিনীর সদস্যকে মোতায়েন করা হবে।
হেলিকপ্টার ও সামরিক বিমানের মাধ্যমে এই বাহিনী সীমান্তে পৌঁছাবে। খবর বিবিসি বাংলার।
ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষা সচিব রবার্ট সেলেসেস জানিয়েছেন, পাঁচ হাজারেরও বেশি ‘অবৈধ অভিবাসী’কে সরিয়ে নতে সামরিক বিমান ব্যবহৃত হবে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট জানিয়েছেন, ট্রাম্প সীমান্তে ১,৫০০ অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে হাউসে পাস হওয়া ‘লেকেন রাইলি’ বিলের মাধ্যমে অবৈধ অভিবাসীদের আটক ও বিতাড়নের বিধান কঠোর করেছে। আইনটি ডেমোক্র্যাটদের মধ্যেও সমর্থন পেয়েছে, যা অভিবাসন ইস্যুতে তাদের মনোভাব পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শেইনবাউম অভিবাসন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার কথা নিশ্চিত করেছেন। তবে মেক্সিকো ট্রাম্পের প্রস্তাবে রাজি নয়। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি আশ্রয়প্রার্থীদের দাবি নিষ্পত্তি পর্যন্ত মেক্সিকোতে অপেক্ষা করতে হবে।
ট্রাম্প দাবি করেছেন, বাইডেন প্রশাসনের সময়ে সীমান্তে অবৈধ অভিবাসন রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। তবে ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পর অভিবাসনের সংখ্যা কমতে শুরু করেছে।
এদিকে, অভিবাসন নিয়ে নতুন নির্দেশ জারির কয়েক ঘণ্টা আগেই হাজারো অভিবাসন প্রত্যাশীর অ্যাপয়েন্টমেন্ট বাতিল করা হয়। ট্রাম্প তার উদ্বোধনী ভাষণে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন,“অবৈধ প্রবেশ বন্ধ করা হবে” এবং লক্ষাধিক অভিবাসী ফেরত পাঠানো হবে।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 







































