শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতীয়দের বিতাড়িত, যা বললেন জয়শঙ্কর

ছবি: সংগৃহীত

বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের বরাতে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বলেছেন, ভারত সবসময় অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদের বৈধ প্রত্যাবর্তনের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে এক সংবাদ সম্মেলেনে তিনি এই কথা বলেন।

জয়শঙ্কর বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী যেসব ভারতীয় দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে, তাদের যাচাই প্রক্রিয়া এখনো চলছে এবং এখনো কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, একটি দেশের সরকার হিসেবে আমরা অবশ্যই বৈধ অভিবাসনের পক্ষে। কারণ আমরা বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্রে বিশ্বাস করি। আমরা চাই ভারতীয় প্রতিভা ও দক্ষতা সম্পন্ন মানুষেরা বৈশ্বিক পর্যায়ে সর্বাধিক সুযোগ পাক। একই সঙ্গে আমরা অবৈধ অভিবাসন ও অবৈধ ভ্রমণের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে আছি।

ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারত সবসময় যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের সাথে এই অবস্থান বজায় রেখেছে যে যদি কোনো ভারতীয় নাগরিক অবৈধ অভিবাসী হিসেবে অবস্থান করে তবে তারা বৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরে আসতে পারে। অবৈধ অভিবাসনের সাথে অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রমের যোগসূত্র থাকতে পারে, যা দেশের সুনামের জন্য ক্ষতিকর।

এর আগে গণমাধ্যমে খবর বের হয়, যুক্তরাষ্ট্র বসবাসরত ১ লাখ ৮০ হাজার অবৈধ বা ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে এমন ভারতীয় নাগরিককে দেশে ফেরত আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছে মোদি সরকার।

নিউইয়র্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে প্রায় ১৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীকে শনাক্ত করেছে। তাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হবে। এই জন্য ভারত যাচাই-বাছাই করে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু করবে। এ বিষয়ে জানাশোনা আছে এমন ব্যক্তিরা পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এই তথ্য জানিয়েছেন। তবে প্রকৃত সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি হতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে কতজন ভারতীয় অবৈধ অভিবাসী রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

জয়শঙ্কর বলেন, এই অবস্থান কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রযোজ্য নয়। আমি বুঝতে পারছি যে, এই মুহূর্তে এটি নিয়ে কিছু বিতর্ক চলছে। এর ফলে কিছু সংবেদনশীলতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে আমরা এই বিষয়ে ধারাবাহিক এবং নীতিগত অবস্থানে রয়েছি, যা আমাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। আমি এটি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছি।

জনপ্রিয়

তারেক রহমানের সঙ্গে কুকের বৈঠক, যেসব বিষয়ে কথা হলো

যুক্তরাষ্ট্র থেকে ভারতীয়দের বিতাড়িত, যা বললেন জয়শঙ্কর

প্রকাশের সময় : ০৪:৪৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৫

বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের বরাতে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর বলেছেন, ভারত সবসময় অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীদের বৈধ প্রত্যাবর্তনের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে। বুধবার (২২ জানুয়ারি) ওয়াশিংটন ডিসিতে এক সংবাদ সম্মেলেনে তিনি এই কথা বলেন।

জয়শঙ্কর বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী যেসব ভারতীয় দেশে ফেরত পাঠানো হতে পারে, তাদের যাচাই প্রক্রিয়া এখনো চলছে এবং এখনো কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়নি।

তিনি বলেন, একটি দেশের সরকার হিসেবে আমরা অবশ্যই বৈধ অভিবাসনের পক্ষে। কারণ আমরা বৈশ্বিক কর্মক্ষেত্রে বিশ্বাস করি। আমরা চাই ভারতীয় প্রতিভা ও দক্ষতা সম্পন্ন মানুষেরা বৈশ্বিক পর্যায়ে সর্বাধিক সুযোগ পাক। একই সঙ্গে আমরা অবৈধ অভিবাসন ও অবৈধ ভ্রমণের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়ে আছি।

ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারত সবসময় যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের সাথে এই অবস্থান বজায় রেখেছে যে যদি কোনো ভারতীয় নাগরিক অবৈধ অভিবাসী হিসেবে অবস্থান করে তবে তারা বৈধ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেশে ফিরে আসতে পারে। অবৈধ অভিবাসনের সাথে অন্যান্য অবৈধ কার্যক্রমের যোগসূত্র থাকতে পারে, যা দেশের সুনামের জন্য ক্ষতিকর।

এর আগে গণমাধ্যমে খবর বের হয়, যুক্তরাষ্ট্র বসবাসরত ১ লাখ ৮০ হাজার অবৈধ বা ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে এমন ভারতীয় নাগরিককে দেশে ফেরত আনতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করছে মোদি সরকার।

নিউইয়র্কভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ জানায়, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে প্রায় ১৮ হাজার অবৈধ ভারতীয় অভিবাসীকে শনাক্ত করেছে। তাদের ভারতে ফেরত পাঠানো হবে। এই জন্য ভারত যাচাই-বাছাই করে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া শুরু করবে। এ বিষয়ে জানাশোনা আছে এমন ব্যক্তিরা পরিচয় গোপন রাখার শর্তে এই তথ্য জানিয়েছেন। তবে প্রকৃত সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি হতে পারে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে কতজন ভারতীয় অবৈধ অভিবাসী রয়েছে, তা স্পষ্ট নয়।

জয়শঙ্কর বলেন, এই অবস্থান কেবলমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের জন্য প্রযোজ্য নয়। আমি বুঝতে পারছি যে, এই মুহূর্তে এটি নিয়ে কিছু বিতর্ক চলছে। এর ফলে কিছু সংবেদনশীলতা সৃষ্টি হয়েছে। তবে আমরা এই বিষয়ে ধারাবাহিক এবং নীতিগত অবস্থানে রয়েছি, যা আমাদের অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। আমি এটি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে স্পষ্টভাবে জানিয়েছি।