শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সিরিয়ায় ৩ দিনে ৩৫ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

ছবি-সংগৃহীত

গত তিন দিনে ৩৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছেন সিরিয়ার নতুন শাসকগোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যোদ্ধারা। যাদের প্রায় সবাই ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত বাশার আল-আসাদ সরকারের কর্মকর্তা। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে অত্যাচার চালানো এক ‘অপরাধী গোষ্ঠীকে’ অভিযুক্ত করেছে। তবে সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্য থেকে ৩৫ জনকে দ্রুত সংক্ষিপ্ত বিচার প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সংস্থাটি বলেছে, ‘এই গ্রেপ্তার ও ৩৫ জনের প্রাণহানির ঘটনা মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী পদক্ষেপ।’

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ‘ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা’ অপমান ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। ব্রিটেনভিত্তিক এই পর্যবেক্ষক সংস্থার মতে, যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই আসাদ সরকারের সাবেক কর্মকর্তা। এসব কর্মকর্তার সবাই নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন।

জনপ্রিয়

ইরানে সরকার পতনে বিপ্লবী গার্ডের ওপর হামলার আহ্বান পাহলভির

সিরিয়ায় ৩ দিনে ৩৫ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

প্রকাশের সময় : ১১:৫৩:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

গত তিন দিনে ৩৫ জনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছেন সিরিয়ার নতুন শাসকগোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শামের (এইচটিএস) সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যোদ্ধারা। যাদের প্রায় সবাই ছিলেন ক্ষমতাচ্যুত বাশার আল-আসাদ সরকারের কর্মকর্তা। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান এ তথ্য জানায়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে অত্যাচার চালানো এক ‘অপরাধী গোষ্ঠীকে’ অভিযুক্ত করেছে। তবে সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, অভিযুক্তদের মধ্য থেকে ৩৫ জনকে দ্রুত সংক্ষিপ্ত বিচার প্রক্রিয়া শেষে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

সংস্থাটি বলেছে, ‘এই গ্রেপ্তার ও ৩৫ জনের প্রাণহানির ঘটনা মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের পরবর্তী পদক্ষেপ।’

সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, ‘ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা’ অপমান ও নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। ব্রিটেনভিত্তিক এই পর্যবেক্ষক সংস্থার মতে, যাদের হত্যা করা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই আসাদ সরকারের সাবেক কর্মকর্তা। এসব কর্মকর্তার সবাই নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিলেন।