
ইরান আবারও নিজেদের সামরিক শক্তির জানান দিল। শতাধিক হেলিকপ্টার, সাঁজোয়া যান ও ড্রোনসহ সামরিক মহড়ায় অংশ নেয় সেনাবাহিনীর একাধিক ইউনিট। দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বাহিনীর প্রস্তুতি বাড়ানোই এই মহড়ার উদ্দেশ্য বলে জানান দেশটির সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি।
স্থানীয় সময় রোববার (২৬ জানুয়ারি) ইরানের সেনাবাহিনীর পরিচালনায় দেশটির পশ্চিমাঞ্চলে বিশাল সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। মহড়ায় অংশ নেয় ১০০টিরও বেশি হেলিকপ্টার।
প্রথম পর্যায়ে ব্যবহৃত হয় ২০৫, ২০৬, ২০৯ এবং ২১৪ মডেলের একাধিক হেলিকপ্টার। দীর্ঘদিন ধরে অকেজো থাকা এই হেলিকপ্টারগুলোকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে পুনরায় চালু করা হয়েছে।
এছাড়াও এই মহড়ায় অংশ নেয় ৩৫তম বিশেষ ব্রিগেড, ৫৫তম এয়ারবোর্ন ব্রিগেড, ১৮১তম সাঁজোয়া ব্রিগেড, সেনাবাহিনীর এভিয়েশন ইউনিট, ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যাটালিয়ন এবং ড্রোনসহ অন্যান্য বিশেষ ইউনিট।
ইরানের কেরমানশাহ প্রদেশের কাসর-ই শিরিন এলাকার নাফতশাহরে আয়োজিত এই মহড়ায় উপস্থিত ছিলেন ইরানের সেনা প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি।
দেশের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় বাহিনীর প্রস্তুতি বাড়ানোই এই মহড়ার উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।
এছাড়াও মহড়ায় ছিলেন স্থল বাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কিয়োমার্স হেইদারি। ডেপুটি অপারেশন কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কারিম চাশাক। তারা জানান, বিশ্বের যেকোনো পরাশক্তির বিরুদ্ধে নিজেদের সক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ এই মহড়া।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 







































