বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

ছবি-সংগৃহীত

ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিলোসি ভুকেভিক। আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, গতকাল সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দেশটির শিক্ষার্থীরা রাজধানী বেলগ্রেডের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরোধ করেন। এতে কৃষকরাও যোগ দেন। তারা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করার পরই প্রধানমন্ত্রীর ওপর পদত্যাগের চাপ বাড়তে থাকে।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর নোভি সাদ শহরের একটি রেলস্টেশনের ছাদ ধসে ১৫ জন নিহত হন। এ ঘটনার পর দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, স্টেশন তৈরির সময় দুর্নীতি না করলে এত মানুষকে প্রাণ হারাতে হতো না।

গতকাল প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুকিক বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা এবং সরকারে বড় ধরনের রদবদল আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এদিন শিক্ষার্থীরা রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রকে সংযোগ করা অটোকোমান্ডা জংশন অবরোধ করেন। এতে করে রাজধানী শহর অচল হয়ে পড়ে।

নভেম্বরে আন্দোলনে নামার পর শিক্ষার্থীদের ওপর প্রতিদিনই হামলার ঘটনা ঘটতে থাকে। কিন্তু আন্দোলন দমে না গিয়ে বরং বাড়তে থাকে এবং একটা সময় ১০০টিরও বেশি শহরে ছড়িয়ে পড়ে। একে একে এই আন্দোলনে সমর্থন জানাতে থাকেন বিচার বিভাগের কর্মকর্তা, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

গতকাল শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করলে এতে সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসেন কৃষকরা। তারা বিশাল বিশাল ট্রাক্টর নিয়ে সেখানে হাজির হন।

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটনের নির্বাচনী প্রচারনায় হাজার হাজার মানুষ

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

প্রকাশের সময় : ০৮:০৭:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের মুখে পদত্যাগ করেছেন সার্বিয়ার প্রধানমন্ত্রী মিলোসি ভুকেভিক। আজ মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।

বার্তাসংস্থা এপি জানিয়েছে, গতকাল সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দেশটির শিক্ষার্থীরা রাজধানী বেলগ্রেডের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা অবরোধ করেন। এতে কৃষকরাও যোগ দেন। তারা রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধ করার পরই প্রধানমন্ত্রীর ওপর পদত্যাগের চাপ বাড়তে থাকে।

গত বছরের ১৫ নভেম্বর নোভি সাদ শহরের একটি রেলস্টেশনের ছাদ ধসে ১৫ জন নিহত হন। এ ঘটনার পর দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, স্টেশন তৈরির সময় দুর্নীতি না করলে এত মানুষকে প্রাণ হারাতে হতো না।

গতকাল প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার ভুকিক বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে আলোচনা এবং সরকারে বড় ধরনের রদবদল আনার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এদিন শিক্ষার্থীরা রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রকে সংযোগ করা অটোকোমান্ডা জংশন অবরোধ করেন। এতে করে রাজধানী শহর অচল হয়ে পড়ে।

নভেম্বরে আন্দোলনে নামার পর শিক্ষার্থীদের ওপর প্রতিদিনই হামলার ঘটনা ঘটতে থাকে। কিন্তু আন্দোলন দমে না গিয়ে বরং বাড়তে থাকে এবং একটা সময় ১০০টিরও বেশি শহরে ছড়িয়ে পড়ে। একে একে এই আন্দোলনে সমর্থন জানাতে থাকেন বিচার বিভাগের কর্মকর্তা, শিক্ষক, ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ।

গতকাল শিক্ষার্থীরা সড়ক অবরোধ করলে এতে সহযোগিতার জন্য এগিয়ে আসেন কৃষকরা। তারা বিশাল বিশাল ট্রাক্টর নিয়ে সেখানে হাজির হন।