শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ, ক্ষতি হবে ইউরোপের

ছবি- সংগৃহীত

ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক (ইসিবি) বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধে ইউরোপ উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়বে।বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই আশঙ্কার কথা জানান প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পিয়েরো কিপোলোন।

ইউরোপের অর্থনীতিতে বিদ্যমান মুদ্রাস্ফীতি সামলাতে ইসিবি ইতোমধ্যেই ঋণে সুদের হার কমিয়েছে। চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে এই হার আরও কমাতে হবে বলে ধারণা করছেন ইউরোপের অর্থনীতিবিদরা।

শীঘ্রই ইউরোপের মুদ্রাস্ফীতি ২ শতাংশে নেমে আসবে জানিয়ে কিপোলোন বলেন, ‘মুদ্রাস্ফীতি কমানোর আরও সুযোগ রয়েছে-এটা স্বীকার করতেই হবে।’

তবে তার সবচেয়ে বড় শঙ্কার জায়গা বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে ইউরোপের বাজারে চীনা পণ্য প্রবেশ। বাজারে কমদামী চীনা পণ্য প্রবেশ করলে ইউরোপীয় পণ্যের চাহিদা কমে যাবে বলে দুশ্চিন্তা তার।

‘চীন বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩৫ শতাংশ দখল করে রেখেছে। তাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে বাণিজ্যযুদ্ধে উঠে-পড়ে লাগলে আমাদেরই ক্ষতি। ’

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে চীনা পণ্য আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্কারোপ করেছেন ট্রাম্প। জবাবে মার্কিন পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য করেছে বেইজিং প্রশাসন।

এ কারণে ইউরোপের অর্থনৈতিক উন্নতি বাধার সম্মুখীন হবে বলে , কিপোলোনের।

এতদসত্ত্বেও দেশের মজবুত শ্রমবাজার, অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও শিল্পখাতে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার ইতিবাচক ধারায় আশাবাদী তিনি।

‘আমরা হয়তো অভাবনীয় উন্নতি করছি না। তবে, অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দিবে-এমন আশঙ্কাও নেই।’, বলেন কিপোলোন। সূত্র: রয়টার্স

জনপ্রিয়

তারেক রহমানের সঙ্গে কুকের বৈঠক, যেসব বিষয়ে কথা হলো

যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধ, ক্ষতি হবে ইউরোপের

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৮:১১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংক (ইসিবি) বলছে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলমান বাণিজ্যযুদ্ধে ইউরোপ উল্লেখযোগ্য ক্ষতির মুখে পড়বে।বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এই আশঙ্কার কথা জানান প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পিয়েরো কিপোলোন।

ইউরোপের অর্থনীতিতে বিদ্যমান মুদ্রাস্ফীতি সামলাতে ইসিবি ইতোমধ্যেই ঋণে সুদের হার কমিয়েছে। চলমান বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে এই হার আরও কমাতে হবে বলে ধারণা করছেন ইউরোপের অর্থনীতিবিদরা।

শীঘ্রই ইউরোপের মুদ্রাস্ফীতি ২ শতাংশে নেমে আসবে জানিয়ে কিপোলোন বলেন, ‘মুদ্রাস্ফীতি কমানোর আরও সুযোগ রয়েছে-এটা স্বীকার করতেই হবে।’

তবে তার সবচেয়ে বড় শঙ্কার জায়গা বাণিজ্য যুদ্ধের কারণে ইউরোপের বাজারে চীনা পণ্য প্রবেশ। বাজারে কমদামী চীনা পণ্য প্রবেশ করলে ইউরোপীয় পণ্যের চাহিদা কমে যাবে বলে দুশ্চিন্তা তার।

‘চীন বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৩৫ শতাংশ দখল করে রেখেছে। তাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চীনের বিরুদ্ধে বাণিজ্যযুদ্ধে উঠে-পড়ে লাগলে আমাদেরই ক্ষতি। ’

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রে চীনা পণ্য আমদানিতে ১০ শতাংশ শুল্কারোপ করেছেন ট্রাম্প। জবাবে মার্কিন পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক ধার্য করেছে বেইজিং প্রশাসন।

এ কারণে ইউরোপের অর্থনৈতিক উন্নতি বাধার সম্মুখীন হবে বলে , কিপোলোনের।

এতদসত্ত্বেও দেশের মজবুত শ্রমবাজার, অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান উন্নতি ও শিল্পখাতে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার ইতিবাচক ধারায় আশাবাদী তিনি।

‘আমরা হয়তো অভাবনীয় উন্নতি করছি না। তবে, অর্থনীতিতে মন্দা দেখা দিবে-এমন আশঙ্কাও নেই।’, বলেন কিপোলোন। সূত্র: রয়টার্স