
যশোর প্রতিনিধি
যশোর জেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটির রোববার সকালে কালেক্টরেট সভা কক্ষ অমিত্রাক্ষরে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম বলেন, রমজান মাসে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য সংকট সৃষ্টি করে দাম বৃদ্ধি করা যাবে না। দ্রব্যমূল্য সহনশীল রাখার বিষয়ে চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাট্রিজ সভাপতির ভুমিকা রাখতে হবে। কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর এসব গ্যাংয়ের সদস্যদের মোটরসাইকেলে বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে। মাদকের বিরুদ্ধে সকলকে সচেতন হতে হবে। কোন প্রতিষ্ঠানের দেয়ালের ধারে দোকান নির্মান করা যাবে না। মানব পাচারের মামলা দেয়ার ক্ষেতে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। পলিথিনের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা হবে। স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক ও পৌর প্রশাসক রফিকুল হাসান বলেন, মাস ব্যাপি মর্শক নির্ধন অভিযান শুরু করা হবে। শহরের অবৈধ পরিবহন রোধে ও অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে সপ্তাহে দুইদিন অভিযান পরিচালনা করা হয়। হাইকোর্টের রিটের কারনে কুকুর মারা যাচ্ছে না। কুকুর মারলে পরিবেশ বাদীরা আন্দোলন করে। এ বিষয়ে পৌর সভা অসহায়। পৌরসভার জলাবদ্ধতা নিরসনে সকল ড্রেন পরিস্কার করা হচ্ছে। মাটি ড্রেনের পাশে রাখা হচ্ছে। এত পরিমান মাটি বের হচ্ছে,সেটা পরিস্কার করার যানবাহন নেই। এজন্য পৌরবাসিকে একটু দুর্ভোগ সহ্য করতে হবে। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ক্রাইম ও অপস) আবুল বাশার বলেন, যোগাযোগ মাধ্যমে যারা উস্কানী মূলক পোষ্ট করছে। তাদের বিষয়ে পুলিশ কাজ করছে। এটা করা হচ্ছে যশোরের বাইরের থেকে। এ বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করলে আইনের আওতায় আনা হবে। কিশোর গ্যাংয়ের বিভিন্ন অপরাধ দমনে বিকেল পঁাচটা থেকে রাত পর্যন্ত ১২টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ফুট পেট্রোল চালু করা হয়েছে। দোকানের সামনে পার্কিং না থাকায় ও ভ্রাম্যমান দোকান পরিচালনা কারনে শহরে যানজট হচ্ছে। এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া হবে। পিপি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু বলেন, সন্ধ্যার পর থেকে রাত পর্যন্ত কিশোর গ্যাং ছিনতাইসহ বিভিন্ অপরাধ করছে। বিভিন্ন এলাকায় খুচড়া মাদক ব্যবসায়ীদের তৎপরতা বেড়েছে। এদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়া উচিত। চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাট্রিজের সভাপতি মিজানুর রহমান খান বলেন, পলিথিন নিষিদ্ধ হোক সবাই চাই। কারো দ্বিমত নেই। এর বিকল্প পাট ও কাপড়ের ব্যাগের ব্যবহার করা উচিৎ। তবে ঢাকা থেকে পলিথিন আসার উৎস বন্ধ করা জরুরী। এ বিষয়ে ব্যবসায়ীদের বলা হয়েছে। তাদের উৎসাহ করতে হবে। মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপপরিাচলক আসলাম হোসেন জানান জানুয়ারি মাসে মাদ্রকের ৪২ মামলায় ৪১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৪জন পলাতক রয়েছে। আট উপজেলায় মাদকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত হয়েছে। প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন বলেন, যশোরের মানুষ শান্তিতে আছে। ফ্যাসিবাদ সরকারের কিছু নেতা ফেজবুকে অশ্লীল কথাবার্তা লিখে পোষ্ট দিচ্ছে। এতে করে পরিস্থিতি খারাপ হতে পারে। এসব উস্কানিমুলক পোষ্ট দেয়া বন্ধ করে আইনের আওতায় আনতে হবে। লোকসমাজ পত্রিকার প্রকাশক শান্তনু ইসলাম সুমিত বলেন, আইন শৃঙ্কলা সভায় অপরাধের যে চিত্র তুলে ধরা হয়, তার চেয়ে বেশি অপরাধমূলক কর্মকান্ড ঘটে। অনেক মানুষ থানায় অভিযোগ করতে ভয় পায়। ফ্যাসিবাদ সরকারের সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন পোষ্ট দিচ্ছে। এ বিষয়ে নজরদারী করতে হবে। এসময় বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন সভা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কমলেশ মজুমদার।
যশোর প্রতিনিধি 







































