
ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডের গুরুত্বপূর্ণ নেতজারিম করিডোর থেকে সরে গেছে ইসরায়েলি সেনারা। মূলত এই সামরিক অঞ্চলই উত্তর গাজাকে দক্ষিণ গাজা থেকে আলাদা করেছে। যুদ্ধবিরতির আওতায় ইসরায়েল নেতজারিম করিডোর থেকে সেনা সরিয়ে নিতে রাজি হয়েছে।
ইসরায়েলি সেনারা সেখান থেকে সরে যেতেই শত শত ফিলিস্তিনি কার এবং মালবাহী গাড়িতে নানা পণ্য বোঝাই করে উত্তর গাজায় ফিরতে শুরু করেছেন। এ অঞ্চলটি ইসরায়েলের ঘন ঘন হামলায় ধ্বংসস্তুপ হয়েছে। খবর বিবিসির।
গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়। ইসরায়েল ও হামাসের এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির অধীনে এখন পর্যন্ত ২১ জন ইসরায়েলি জিম্মি এবং ৫৬৬ জন ফিলিস্তিনি বন্দি মুক্তি পেয়েছে। এর আগে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ঢুকে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের মুক্তিকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। এরপরই ব্যাপকহারে গাজায় হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
গাজার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, ইসরায়েলের হামলায় ৪৮ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। জাতিসংঘ বলছে, ইসরায়েলের হামলায় গাজার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভবন ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে। যে ফিলিস্তিনিরা বাস্তুচ্যুত হয়েছে, তারা একাধিকবার জায়গা বদল করতে বাধ্য হয়েছে। এই ফিলিস্তিনিদেরকে নেৎজারিম করিডোর দিয়ে তাদের বাড়িঘরে ফিরে আসতে দেয়া হয়নি।
গত মাসে করিডোরের পশ্চিম দিক থেকে ইসরায়েলি বাহিনী আংশিকভাবে সরে যায় এবং প্রথম ফিলিস্তিনিদের-পথচারীদের- উত্তর গাজায় প্রবেশের জন্য উপকূলীয় রশিদ স্ট্রিট ধরে হেঁটে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়। যারা যানবাহনে চড়ে যাবেন, তাদের সালাহ আল-দিন স্ট্রিট ব্যবহার করতে হবে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও মিশরীয় নিরাপত্তা ঠিকাদারদের তল্লাশির মধ্য দিয়ে যেতে হবে।
বিবিসি জানায়, রোববার করিডোরের পূর্ব অংশ থেকে সেনা সরিয়ে নেয়ার বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি। করিডরের ওই অংশ থেকে ইসরায়েলের সরে গেলে গাজার সীমান্তে ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ থাকবে। তবে ওই করিডরের সড়কে আর নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।
আন্তর্জাতিক ডেস্ক 







































