রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গদখালির ফুল চাষের জনক শের আলী মারা গেছেন

শের আলী

আশরাফুজ্জামান বাবু, স্টাফ রিপোর্টার:

যশোরের ঝিকগাছা উপজেলার গদখালির ফুল চাষের জনক শের আলীর মারা গেছেন। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে ৭৫ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তিনি ২ স্ত্রী, ৪ পুত্র, ৩ কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুম শের আলী সরদারের প্রথম জানাজার নামাজ যোহরের নামাজের পর পানিসারায় তার নিজ বাড়িতে এবং দ্বীতীয় জানাজার নামাজ আসরের নামাজের পর পানিসারা ফুল মোড়ে অনুষ্ঠিত হবে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ফুল চাষের জনক শের আলী:

 শুরুটা আশির দশকে। একজন যুবক তার পৈতৃক ফসলের ক্ষেতে কাজ করছে। এমন সময় আরেকজন লোক রজনীগন্ধা ফুল হাতে করে নিয়ে যাচ্ছে। যুবকটি কৌতুহলী হয়ে ঐ ব্যক্তির কাছে ফুল এবং ফুলের চাষ সম্পর্কে জেনে নিয়ে ভারতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকে বীজ নিয়ে এসে এক বিঘা জমিতে রজনীগন্ধার চাষ শুরু করলেন। এভাবেই শুরু। তারপর অনেক ইতিহাস হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশের ফুলের রাজধানীর খ্যাতি লাভ করেছে গদখালি, পানিসারা এলাকা। সেদিনের সেই যুবকটি হলেন মো. শের আলী সরদার। যার হাত ধরে বাংলাদেশে ফুল চাষের বিপ্লব শুরু হয়েছিল। তিনি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের পানিসারা গ্রামের মৃত রহমান সরদারের ছেলে। ১৯৫০ সালে জন্ম নেওয়া শের আলী সরদার পানিসারা ইউনিয়নের কুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। তারপর পিতার পেশা চাষাবাদের কাজ শুরু করেন। ফুল চাষের জন্য তিনি পৃথিবীর ১৭ টা দেশ ভ্রমণ করে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা দেশে কাজে লাগিয়ে গদখালীর ফুল সেক্টরকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন।

জনপ্রিয়

শহরকে সুন্দর রাখতে খালের পাড়ে ও যত্রতত্র ময়লা না ফেলার আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের

গদখালির ফুল চাষের জনক শের আলী মারা গেছেন

প্রকাশের সময় : ০১:৫৯:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আশরাফুজ্জামান বাবু, স্টাফ রিপোর্টার:

যশোরের ঝিকগাছা উপজেলার গদখালির ফুল চাষের জনক শের আলীর মারা গেছেন। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। আজ বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে ৭৫ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। মৃত্যুকালে তিনি ২ স্ত্রী, ৪ পুত্র, ৩ কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

মরহুম শের আলী সরদারের প্রথম জানাজার নামাজ যোহরের নামাজের পর পানিসারায় তার নিজ বাড়িতে এবং দ্বীতীয় জানাজার নামাজ আসরের নামাজের পর পানিসারা ফুল মোড়ে অনুষ্ঠিত হবে। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ফুল চাষের জনক শের আলী:

 শুরুটা আশির দশকে। একজন যুবক তার পৈতৃক ফসলের ক্ষেতে কাজ করছে। এমন সময় আরেকজন লোক রজনীগন্ধা ফুল হাতে করে নিয়ে যাচ্ছে। যুবকটি কৌতুহলী হয়ে ঐ ব্যক্তির কাছে ফুল এবং ফুলের চাষ সম্পর্কে জেনে নিয়ে ভারতে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকে বীজ নিয়ে এসে এক বিঘা জমিতে রজনীগন্ধার চাষ শুরু করলেন। এভাবেই শুরু। তারপর অনেক ইতিহাস হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশের ফুলের রাজধানীর খ্যাতি লাভ করেছে গদখালি, পানিসারা এলাকা। সেদিনের সেই যুবকটি হলেন মো. শের আলী সরদার। যার হাত ধরে বাংলাদেশে ফুল চাষের বিপ্লব শুরু হয়েছিল। তিনি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার পানিসারা ইউনিয়নের পানিসারা গ্রামের মৃত রহমান সরদারের ছেলে। ১৯৫০ সালে জন্ম নেওয়া শের আলী সরদার পানিসারা ইউনিয়নের কুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। তারপর পিতার পেশা চাষাবাদের কাজ শুরু করেন। ফুল চাষের জন্য তিনি পৃথিবীর ১৭ টা দেশ ভ্রমণ করে নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন। সেই অভিজ্ঞতা দেশে কাজে লাগিয়ে গদখালীর ফুল সেক্টরকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন।