সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চারটি কাছিমের শরীরে স্যাটেলাইট লাগিয়ে ছাড়া হলো সাগরে

ছবি: সংগৃহীত

কক্সবাজারের টেকনাফ সমুদ্রসৈকতে গবেষণার উদ্দেশ্যে চারটি সামুদ্রিক মা কাছিমের শরীরে স্যাটেলাইট স্থাপন করে অবমুক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোডেক নেচার অ্যান্ড লাইফ প্রকল্পের পরিচালক ড. শীতল কুমার।

তিনি বলেন, সামুদ্রিক কাছিমের জীবনাচরণ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার ও সোমবার দুটি করে কাছিমের গায়ে স্যাটেলাইট স্থাপন করা হয়। টেকনাফ বাহারছড়া উত্তর শীলখালী সমুদ্র সৈকতে কাছিমগুলো অবমুক্ত করা হয়। এ কাজে আইইউসিএন কারিগরি সহযোগিতা করেছে।

জানা যায়, সামুদ্রিক মা কাছিমগুলো প্রতিবছর প্রজনন মৌসুমে সমুদ্রসৈকতে ডিম ছাড়তে আসে। এর মধ্যে দুইদিনে চারটি মা কাছিম গবেষণার উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়। সেগুলোতে স্যাটেলাইট স্থাপন করে সমুদ্রসৈকতে অবমুক্ত করা হয়। এর আগেও গত বছর একইভাবে গবেষণার উদ্দেশ্যে মা কাছিম সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

২০২০ সাল থেকে টেকনাফ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এলাকায় বন, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। টেকনাফ থেকে মাদার বুনিয়া পর্যন্ত সমুদ্রের চরে ৫টি হ্যাচারির মাধ্যমে কাছিম সংরক্ষণের কাজ করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় সামুদ্রিক কাছিমের জীবনাচরণ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জনের জন্য কাছিমের শরীরে স্যাটেলাইট স্থাপন করা হয়।

জনপ্রিয়

হাদি হত্যা মামলার চার্জশিট দাখিল ৭ জানুয়ারির মধ্যে: স্বরাষ্ট্র সচিব

চারটি কাছিমের শরীরে স্যাটেলাইট লাগিয়ে ছাড়া হলো সাগরে

প্রকাশের সময় : ০৩:৩২:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

কক্সবাজারের টেকনাফ সমুদ্রসৈকতে গবেষণার উদ্দেশ্যে চারটি সামুদ্রিক মা কাছিমের শরীরে স্যাটেলাইট স্থাপন করে অবমুক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোডেক নেচার অ্যান্ড লাইফ প্রকল্পের পরিচালক ড. শীতল কুমার।

তিনি বলেন, সামুদ্রিক কাছিমের জীবনাচরণ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে মঙ্গলবার ও সোমবার দুটি করে কাছিমের গায়ে স্যাটেলাইট স্থাপন করা হয়। টেকনাফ বাহারছড়া উত্তর শীলখালী সমুদ্র সৈকতে কাছিমগুলো অবমুক্ত করা হয়। এ কাজে আইইউসিএন কারিগরি সহযোগিতা করেছে।

জানা যায়, সামুদ্রিক মা কাছিমগুলো প্রতিবছর প্রজনন মৌসুমে সমুদ্রসৈকতে ডিম ছাড়তে আসে। এর মধ্যে দুইদিনে চারটি মা কাছিম গবেষণার উদ্দেশ্যে সংরক্ষণ করা হয়। সেগুলোতে স্যাটেলাইট স্থাপন করে সমুদ্রসৈকতে অবমুক্ত করা হয়। এর আগেও গত বছর একইভাবে গবেষণার উদ্দেশ্যে মা কাছিম সংরক্ষণ করা হয়েছিল।

২০২০ সাল থেকে টেকনাফ বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এলাকায় বন, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। টেকনাফ থেকে মাদার বুনিয়া পর্যন্ত সমুদ্রের চরে ৫টি হ্যাচারির মাধ্যমে কাছিম সংরক্ষণের কাজ করা হচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায় সামুদ্রিক কাছিমের জীবনাচরণ সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান অর্জনের জন্য কাছিমের শরীরে স্যাটেলাইট স্থাপন করা হয়।