বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমি গাইতে গাইতে মরতে চাই

  • বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০২:২২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৮৭

ছবি-সংগৃহীত

ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। বয়স নব্বই পেরোলেও নিজের সুরেলা কণ্ঠে মঞ্চ জমিয়ে দিতে পারেন তিনি। এদিকে ব্যক্তিগত জীবনে কিংবদন্তি সুরকার আরডি বর্মনের স্ত্রী তিনি। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে নিজের ক্যারিয়ার সম্পর্কে নানান কথা বলেন আশা।

এই শিল্পী মঞ্চে গান গাওয়ার সময় মানসিক চাপের কথাও সামনে এনেছেন। সেই পডকাস্টে আশা বলেন, ‘স্টুডিওতে, একজন সঙ্গীত পরিচালক উপস্থিত থাকলে, সবকিছু সহজে হয়ে যায়। তবে মঞ্চে তিনি থাকেন না। মঞ্চে, আবেগ পুরো বিষয়টা দখল করে রাখে। গলা আটকে যায়, কণ্ঠস্বর কাঁপে। স্মৃতিগুলো ভেসে আসে – সেই রাতগুলো, সেই চিঠিগুলো, বালিশের কাছে রাখা সেই গোলাপগুলো। শ্রোতারাও তাদের নিজস্ব অতীতকে পুনরুজ্জীবিত করে, তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।

৯১ বছর বয়সী ভোঁসলে তার সবচেয়ে বড় ইচ্ছের কথাও সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। জোর দিয়ে বলেছেন, তার এখন একমাত্র ইচ্ছা হলো শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত গান গাওয়া। তার কথায়, ‘একজন মায়ের ইচ্ছা কী? তার সন্তানরা ভালো থাকুক, একজন ঠাকুমার ইচ্ছা? তার নাতি-নাতনিরা সুখে থাকুক। এখন আমার একমাত্র ইচ্ছা হলো, আমি যেন গান গাইতে গাইতেই মারা যাই। আমার শেখার মতো আর কিছুই বাকি নেই।’

আশা ভোঁসলে বলেন, আমি আমার পুরো জীবন গেয়েছি। আমি মাত্র তিন বছর বয়স থেকে শাস্ত্রীয় সংগীত শেখা শুরু করি। প্লেব্যাক গান করছি ৮২ বছর হয়ে গেছে। আর এখন ইচ্ছে হলো আমি গাইতে গাইতে মরতে চাই। এটাই আমাকে সবচেয়ে সুখী করবে। সব শেষে হাসিমুখে আশা বলেন, আমি গান ছাড়া বাঁচব না।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

আমি গাইতে গাইতে মরতে চাই

প্রকাশের সময় : ০২:২২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ভারতের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলে। বয়স নব্বই পেরোলেও নিজের সুরেলা কণ্ঠে মঞ্চ জমিয়ে দিতে পারেন তিনি। এদিকে ব্যক্তিগত জীবনে কিংবদন্তি সুরকার আরডি বর্মনের স্ত্রী তিনি। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে এসে নিজের ক্যারিয়ার সম্পর্কে নানান কথা বলেন আশা।

এই শিল্পী মঞ্চে গান গাওয়ার সময় মানসিক চাপের কথাও সামনে এনেছেন। সেই পডকাস্টে আশা বলেন, ‘স্টুডিওতে, একজন সঙ্গীত পরিচালক উপস্থিত থাকলে, সবকিছু সহজে হয়ে যায়। তবে মঞ্চে তিনি থাকেন না। মঞ্চে, আবেগ পুরো বিষয়টা দখল করে রাখে। গলা আটকে যায়, কণ্ঠস্বর কাঁপে। স্মৃতিগুলো ভেসে আসে – সেই রাতগুলো, সেই চিঠিগুলো, বালিশের কাছে রাখা সেই গোলাপগুলো। শ্রোতারাও তাদের নিজস্ব অতীতকে পুনরুজ্জীবিত করে, তাদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে।

৯১ বছর বয়সী ভোঁসলে তার সবচেয়ে বড় ইচ্ছের কথাও সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন। জোর দিয়ে বলেছেন, তার এখন একমাত্র ইচ্ছা হলো শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত গান গাওয়া। তার কথায়, ‘একজন মায়ের ইচ্ছা কী? তার সন্তানরা ভালো থাকুক, একজন ঠাকুমার ইচ্ছা? তার নাতি-নাতনিরা সুখে থাকুক। এখন আমার একমাত্র ইচ্ছা হলো, আমি যেন গান গাইতে গাইতেই মারা যাই। আমার শেখার মতো আর কিছুই বাকি নেই।’

আশা ভোঁসলে বলেন, আমি আমার পুরো জীবন গেয়েছি। আমি মাত্র তিন বছর বয়স থেকে শাস্ত্রীয় সংগীত শেখা শুরু করি। প্লেব্যাক গান করছি ৮২ বছর হয়ে গেছে। আর এখন ইচ্ছে হলো আমি গাইতে গাইতে মরতে চাই। এটাই আমাকে সবচেয়ে সুখী করবে। সব শেষে হাসিমুখে আশা বলেন, আমি গান ছাড়া বাঁচব না।