
বোরহান উদ্দিন, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের সর্বশেষ নামাজে জানাযা রাউজানের গহিরা উচ্চ বিদ্যালয় ময়দানে শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বাদ আছর অনুষ্টিত হবে। এরপর গহিরার পারিবারিক কবরাস্থানে তাকেঁ সমাহিত করা হবে। তিনি মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীতে ৮২ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।
উল্লেখ্য, আবদুল্লাহ আল নোমান ১৯৯১ সালে চট্টগ্রামের কোতোয়ালি এলাকা থেকে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি কোতোয়ালি এলাকা থেকে নির্বচান করলেও তার বড় ভাই আবদুল্লাহ আল হারুন আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করেন রাউজান আসন থেকে। সেসময় এনডিপির হয়ে নির্বাচনে লড়েন (বর্তমান প্রয়াত) সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। নির্বচানে জয়ি হন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। হেরে গিয়ে এরপর আবদুল্লাহ আল হারুন বয়সের ভারে আর তেমন রাজনীতিতে সক্রিয় হননি। তিনিও এখন প্রয়াত।
আবদুল্লাহ আল নোমান বরাবরই রাজনীতির হাল ধরে দীর্ঘ সময় দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। বর্ষীয়ান এ রাজনিতিবিদ আমৃত্যু বিএনপির হয়ে কাজ করেন। চট্টগ্রাম মহানগরে তার প্রভাব ছিল প্রচুর।
জানাগেছে ষাটের দশকের শুরুতে হামিদুর রহমান শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে নোমান যোগ দেন ছাত্র ইউনিয়নে। মেননপন্থি ছাত্র ইউনিয়নের চট্টগ্রাম মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক, বৃহত্তর চট্টগ্রামের সভাপতি এবং কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ছাত্রজীবন শেষে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর হাত ধরে যোগ দেন শ্রমিক রাজনীতিতে। পূর্ববাংলা শ্রমিক ফেডারেশনের সহ-সভাপতি ছিলেন। গোপনে ভাসানীপন্থি ন্যাপের রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত হন। ১৯৭০ সালে তাকে ন্যাপের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। যুদ্ধ শেষে আবারও ন্যাপের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকেন। জিয়াউর রহমান বিএনপি গঠনের পর ১৯৮১ সালে যোগ দেন দলটিতে। তার ইন্তেকালে জম্মস্থান রাউজানে শোকের চায়া নেমে আসে।
বোরহান উদ্দিন, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: 







































