বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তিন বছরের শিশু ধর্ষণের দায়ে তরুণ গ্রেপ্তার

প্রতীকী ছবি

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চকলেট কিনতে গিয়ে ৩ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সোমবার (৩রা মার্চ) সকালে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় ওই শিশুটিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত রেদওয়ান ইসলাম আরিফ নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রেদওয়ান বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা-আইলাপুর এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। এই ঘটনায় শিশুটির মা বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন।

মামলা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ওই শিশুটি তার মায়ের সঙ্গে বড়লেখা পৌর এলাকার একটি বাসায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে। ঘটনার দিন সোমবার (৩রা মার্চ) সকালে শিশুটি তার মায়ের কাছে চকলেট খাওয়ার জন্য বায়না ধরে। এসময় শিশুটির মা তাকে ৩০ টাকা দিয়ে বাসার নিচের দোকান থেকে চকলেট কিনতে পাঠান। কিন্তু চকলেট কিনতে গিয়ে শিশুটি বাসায় ফিরতে দেরি করায় তার মা বাসার নিচে গিয়ে দেখেন, দোকান মালিক রেদওয়ান ইসলাম আরিফ ওই শিশুর পরনের পোশাক খুলে তাকে কোলে তুলে পাশবিক নির্যাতন চালাচ্ছে। এসময় তিনি চিৎকার দিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। এই ঘটনায় ওইদিনই অভিযুক্ত রেদওয়ান ইসলাম আরিফকে বড়লেখা থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকার বলেন, এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শিশুটির মা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তাকে ৪ঠা মার্চ মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও আচরণবিধির লঙ্ঘন: মাহদী আমিন

তিন বছরের শিশু ধর্ষণের দায়ে তরুণ গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৭:২০:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চকলেট কিনতে গিয়ে ৩ বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। সোমবার (৩রা মার্চ) সকালে এই ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় ওই শিশুটিকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।

এই ঘটনায় অভিযুক্ত রেদওয়ান ইসলাম আরিফ নামে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রেদওয়ান বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা-আইলাপুর এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। এই ঘটনায় শিশুটির মা বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন।

মামলা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ওই শিশুটি তার মায়ের সঙ্গে বড়লেখা পৌর এলাকার একটি বাসায় ভাড়া বাসায় বসবাস করে। ঘটনার দিন সোমবার (৩রা মার্চ) সকালে শিশুটি তার মায়ের কাছে চকলেট খাওয়ার জন্য বায়না ধরে। এসময় শিশুটির মা তাকে ৩০ টাকা দিয়ে বাসার নিচের দোকান থেকে চকলেট কিনতে পাঠান। কিন্তু চকলেট কিনতে গিয়ে শিশুটি বাসায় ফিরতে দেরি করায় তার মা বাসার নিচে গিয়ে দেখেন, দোকান মালিক রেদওয়ান ইসলাম আরিফ ওই শিশুর পরনের পোশাক খুলে তাকে কোলে তুলে পাশবিক নির্যাতন চালাচ্ছে। এসময় তিনি চিৎকার দিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করেন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। এই ঘটনায় ওইদিনই অভিযুক্ত রেদওয়ান ইসলাম আরিফকে বড়লেখা থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

বড়লেখা থানার ওসি আবুল কাশেম সরকার বলেন, এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে এক তরুণকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শিশুটির মা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। তাকে ৪ঠা মার্চ মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।