বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাতীবান্ধায় বর্ষবরণ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত 

মোস্তাফিজুর রহমান, প্রতিনিধি লালমনিরহাটঃ

নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ  বরণ আনন্দ শোভাযাত্রা   ১৪৩২ সাল।

এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে, সোমবার (১৪ এপ্রিল) জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নববর্ষ পালনের কর্মসূচী শুরু করা হয়।পরে সেখানে “এসো হে বৈশাখ” গান গেয়ে পহেলা বৈশাখকে বরন করে নেয়া হয়।

পরে উপজেলা পরিষদ চত্বর  হতে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে লালমনিরহাট- বুড়ীমারী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। নানা রঙের ব্যানার, মুখোশ, ঢাক-ঢোল ও ঐতিহ্যবাহী বাংলার নানা প্রতীক নিয়ে হাজারো মানুষ অংশ নেয় এই শোভাযাত্রায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার  শামীম মিঞাসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা,কর্মচারী,স্কুল-কলেজে ও মাদরাসার ছাত্র ছাত্রী,জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক সংগঠন,বীর মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন সংগঠন সহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহন করেন। উপজেলা পরিষদ চত্বর বটতলায়  স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে লোকগান, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে বাংলার লোকজ সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়।  এবং বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাতের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরিসমাপ্তি ঘটে।

জনপ্রিয়

সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমেই নির্ধারণ হবে দেশের ভবিষ্যৎ: প্রধান উপদেষ্টা

হাতীবান্ধায় বর্ষবরণ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত 

প্রকাশের সময় : ১০:৪৪:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫
মোস্তাফিজুর রহমান, প্রতিনিধি লালমনিরহাটঃ

নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’ এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে বাংলা নববর্ষ  বরণ আনন্দ শোভাযাত্রা   ১৪৩২ সাল।

এ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে, সোমবার (১৪ এপ্রিল) জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নববর্ষ পালনের কর্মসূচী শুরু করা হয়।পরে সেখানে “এসো হে বৈশাখ” গান গেয়ে পহেলা বৈশাখকে বরন করে নেয়া হয়।

পরে উপজেলা পরিষদ চত্বর  হতে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে লালমনিরহাট- বুড়ীমারী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা চত্বরে এসে শেষ হয়। নানা রঙের ব্যানার, মুখোশ, ঢাক-ঢোল ও ঐতিহ্যবাহী বাংলার নানা প্রতীক নিয়ে হাজারো মানুষ অংশ নেয় এই শোভাযাত্রায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার  শামীম মিঞাসহ বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তা,কর্মচারী,স্কুল-কলেজে ও মাদরাসার ছাত্র ছাত্রী,জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক সংগঠন,বীর মুক্তিযোদ্ধা বিভিন্ন সংগঠন সহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ শোভাযাত্রায় অংশগ্রহন করেন। উপজেলা পরিষদ চত্বর বটতলায়  স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে লোকগান, নৃত্য, আবৃত্তি ও নাট্য পরিবেশনার মাধ্যমে বাংলার লোকজ সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয়।  এবং বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহী পান্তা ভাতের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পরিসমাপ্তি ঘটে।