সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শোভাযাত্রায় অনুপস্থিত থাকায় ইবির খালেদা জিয়া হলের খাবার বন্ধ

হারুন অর রশিদ , ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে( ইবি) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ না নেওয়ায় ডাইনিংয়ের খাবার বন্ধ করে দেয় হল প্রাধাক্ষ্য অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দীন। বুধবার(১৬ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলে এ ঘটনা ঘটে। এ সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা খাবার সংকটে পড়ে।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ‘ক্লাস পরীক্ষাসহ নানাবিধ কারণে অনেকেই  র‍্যালিতে অংশ গ্রহণ করতে পারে নি। তাই স্যার রাগ করে ২ মিনিটের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়, আমাদের দুপুরে খাবার দেওয়া হবে না। আপাতত ডাইনিং বন্ধ থাকবে, কতদিন বা কতক্ষণের জন্য বন্ধ থাকবে তা উল্লেখ করে নি। এ বিষয়ে রাত নয়টায় সেন্ট্রাল মিটিং হবে। দুপুরের রান্নাও হয়ে গেছে শুধু উনার জেদের কারণে খাবার বন্ধ করে দেয়।’

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, ‘যারা র‍্যালিতে যায়নি তাদেরকে হলের সিট দেওয়া হবে না, এমন হুমকি দেন। হলে আমরা কি খেয়ে থাকবো? আমাদের মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে আমরা এমন প্রাধাক্ষ্য চাই না, দ্রুত তার পদত্যাগ চাই।’

এ বিষয়ে খালেদা জিয়া হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দীন বলেন,’ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি বছরের ন্যায় হল থেকেও আমরা অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। একটা হলে ৪০০ মেয়ে আছে, সেখানে ২০/৩০ জন উপস্থিত হওয়ার কথা না? অথচ সেখানে ৬/৭ জন উপস্থিত হয়। আমাদের ব্যান্ড পার্টি ছিলো, এই সাতজন নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব না হওয়ায় প্ল্যান ক্যান্সেল করি। আর অল্প সময়ের মধ্যে ডাইনিংয়ের খাবারের ব্যবস্থা করা খুব ডিফিকাল্ট ছিলো। তাই আমরা সাড়ে ১১ টার দিকে নোটিশে জানিয়ে দেওয়া হয় দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হবে না।’

শিক্ষার্থীদের পদত্যাগের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিবেন।’

জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃপ্তি -হাসান ঐক্যবদ্ধ

শোভাযাত্রায় অনুপস্থিত থাকায় ইবির খালেদা জিয়া হলের খাবার বন্ধ

প্রকাশের সময় : ০৭:৪২:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৫

হারুন অর রশিদ , ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে( ইবি) বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে আয়োজিত আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ না নেওয়ায় ডাইনিংয়ের খাবার বন্ধ করে দেয় হল প্রাধাক্ষ্য অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দীন। বুধবার(১৬ এপ্রিল) বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলে এ ঘটনা ঘটে। এ সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা খাবার সংকটে পড়ে।

এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ‘ক্লাস পরীক্ষাসহ নানাবিধ কারণে অনেকেই  র‍্যালিতে অংশ গ্রহণ করতে পারে নি। তাই স্যার রাগ করে ২ মিনিটের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়, আমাদের দুপুরে খাবার দেওয়া হবে না। আপাতত ডাইনিং বন্ধ থাকবে, কতদিন বা কতক্ষণের জন্য বন্ধ থাকবে তা উল্লেখ করে নি। এ বিষয়ে রাত নয়টায় সেন্ট্রাল মিটিং হবে। দুপুরের রান্নাও হয়ে গেছে শুধু উনার জেদের কারণে খাবার বন্ধ করে দেয়।’

শিক্ষার্থীরা আরও বলেন, ‘যারা র‍্যালিতে যায়নি তাদেরকে হলের সিট দেওয়া হবে না, এমন হুমকি দেন। হলে আমরা কি খেয়ে থাকবো? আমাদের মৌলিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে আমরা এমন প্রাধাক্ষ্য চাই না, দ্রুত তার পদত্যাগ চাই।’

এ বিষয়ে খালেদা জিয়া হল প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. জালাল উদ্দীন বলেন,’ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতি বছরের ন্যায় হল থেকেও আমরা অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিয়েছিলাম। একটা হলে ৪০০ মেয়ে আছে, সেখানে ২০/৩০ জন উপস্থিত হওয়ার কথা না? অথচ সেখানে ৬/৭ জন উপস্থিত হয়। আমাদের ব্যান্ড পার্টি ছিলো, এই সাতজন নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করা সম্ভব না হওয়ায় প্ল্যান ক্যান্সেল করি। আর অল্প সময়ের মধ্যে ডাইনিংয়ের খাবারের ব্যবস্থা করা খুব ডিফিকাল্ট ছিলো। তাই আমরা সাড়ে ১১ টার দিকে নোটিশে জানিয়ে দেওয়া হয় দুপুরের খাবারের ব্যবস্থা করা হবে না।’

শিক্ষার্থীদের পদত্যাগের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিবেন।’