শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শরণখোলায় সকাল থেকে বৃষ্টি, ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

নাজমুল ইসলাম, শরণখোলা প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের শরণখোলায় বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি সময়েও টানা বৃষ্টিপাত জনজীবনে প্রভাব ফেলেছে। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) সকাল থেকেই কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। সকাল ১০টার দিকে শুরু হয় মাঝারি ধরনের বৃষ্টি, সঙ্গে হালকা বজ্রপাতও হয়। এর আগে বৃহস্পতিবারও ঝড়-বৃষ্টিতে মেঘলা ছিল পুরো আকাশ।

এই আবহাওয়ার কারণে সড়কে মানুষের চলাচল কমে গেছে। বৃষ্টির কারণে অনেকেই বলছেন, বৈশাখ মাসে এমন আবহাওয়া দেখে মনে হচ্ছে যেন আষাঢ় এসেছে আগেভাগেই।

শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়নের কৃষক লোকমান হাওলাদার জানান, “আমি ১০ কাটা জমিতে ধান চাষ করেছি। এখন বৃষ্টির কারণে ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। ধান কাটা-মাড়াই নিয়ে সমস্যায় পড়েছি।”

একই ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামের কৃষক মনির আলাদার বলেন“আমার ২ বিঘা জমির ধান পাকতে শুরু করেছে। ধান কাটা শুরু করেছিলাম, কিন্তু হঠাৎ বজ্রপাত আর বৃষ্টির কারণে এখন ধান জমিতেই পড়ে আছে।”

এভাবে হঠাৎ বৃষ্টিপাতে শরণখোলার অনেক কৃষকই পড়েছেন বিপাকে। তারা আশঙ্কা করছেন, এ বৃষ্টির ফলে ধানে চিটা ধরতে পারে এবং উৎপাদন কমে যেতে পারে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন,, আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ধান কাটা কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে। তবে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।

জনপ্রিয়

যশোর কেশবপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২

শরণখোলায় সকাল থেকে বৃষ্টি, ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষকরা

প্রকাশের সময় : ০৭:৩৩:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৫

নাজমুল ইসলাম, শরণখোলা প্রতিনিধিঃ

বাগেরহাটের শরণখোলায় বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি সময়েও টানা বৃষ্টিপাত জনজীবনে প্রভাব ফেলেছে। শুক্রবার (১৮ এপ্রিল) সকাল থেকেই কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। সকাল ১০টার দিকে শুরু হয় মাঝারি ধরনের বৃষ্টি, সঙ্গে হালকা বজ্রপাতও হয়। এর আগে বৃহস্পতিবারও ঝড়-বৃষ্টিতে মেঘলা ছিল পুরো আকাশ।

এই আবহাওয়ার কারণে সড়কে মানুষের চলাচল কমে গেছে। বৃষ্টির কারণে অনেকেই বলছেন, বৈশাখ মাসে এমন আবহাওয়া দেখে মনে হচ্ছে যেন আষাঢ় এসেছে আগেভাগেই।

শরণখোলার সাউথখালী ইউনিয়নের কৃষক লোকমান হাওলাদার জানান, “আমি ১০ কাটা জমিতে ধান চাষ করেছি। এখন বৃষ্টির কারণে ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। ধান কাটা-মাড়াই নিয়ে সমস্যায় পড়েছি।”

একই ইউনিয়নের বকুলতলা গ্রামের কৃষক মনির আলাদার বলেন“আমার ২ বিঘা জমির ধান পাকতে শুরু করেছে। ধান কাটা শুরু করেছিলাম, কিন্তু হঠাৎ বজ্রপাত আর বৃষ্টির কারণে এখন ধান জমিতেই পড়ে আছে।”

এভাবে হঠাৎ বৃষ্টিপাতে শরণখোলার অনেক কৃষকই পড়েছেন বিপাকে। তারা আশঙ্কা করছেন, এ বৃষ্টির ফলে ধানে চিটা ধরতে পারে এবং উৎপাদন কমে যেতে পারে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন,, আবহাওয়ার উন্নতি না হওয়া পর্যন্ত ধান কাটা কিছুটা বিলম্বিত হতে পারে। তবে কৃষকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস।