শুক্রবার, ০৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৫৬ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙল কুয়েট শিক্ষার্থীদের

ছবি: সংগৃহীত

৫৬ ঘণ্টা আমরণ অনশন শেষে অনশন ভেঙেছেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অব্যাহতির ঘোষণার পর তারা অনশন থেকে সরে আসেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত ইউজিসির প্রতিনিধি দলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙেন। এরপর তারা ক্যাম্পাসে আনন্দ মিছিল বের করেন।

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কুয়েটের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ ও উপ-উপাচার্যকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই সার্চ কমিটি গঠন করে নতুন নিয়োগ দেওয়া হবে। অন্তর্বর্তীকালে জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকদের মধ্য থেকে একজন সাময়িকভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে উপাচার্য নিজে থেকে পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছিলেন, “সরকার চাইলে পদ ছাড়ব, নিজে থেকে নয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমাদের বিজয় হয়েছে। সত্য কখনো হারে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ। এটা পদত্যাগ নয়, পতন হয়েছে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে ১০০ জনের বেশি আহত হন। এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ১৪ এপ্রিল ১০১তম সিন্ডিকেট সভায় সংঘর্ষে জড়িত অভিযোগে ৩৭ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়, যার প্রতিবাদে ২১ এপ্রিল থেকে শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশন শুরু করেন।

অনশনে একাত্মতা প্রকাশ করে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও কুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি জানান।

জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সামনে অনশনে গণঅধিকারের প্রার্থী

৫৬ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙল কুয়েট শিক্ষার্থীদের

প্রকাশের সময় : ১০:৫৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৫

৫৬ ঘণ্টা আমরণ অনশন শেষে অনশন ভেঙেছেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অব্যাহতির ঘোষণার পর তারা অনশন থেকে সরে আসেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত ইউজিসির প্রতিনিধি দলের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা অনশন ভাঙেন। এরপর তারা ক্যাম্পাসে আনন্দ মিছিল বের করেন।

এর আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কুয়েটের সাম্প্রতিক পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাছুদ ও উপ-উপাচার্যকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। খুব শিগগিরই সার্চ কমিটি গঠন করে নতুন নিয়োগ দেওয়া হবে। অন্তর্বর্তীকালে জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকদের মধ্য থেকে একজন সাময়িকভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন।

এর আগে উপাচার্য নিজে থেকে পদত্যাগে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেছিলেন, “সরকার চাইলে পদ ছাড়ব, নিজে থেকে নয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, “আমাদের বিজয় হয়েছে। সত্য কখনো হারে না। ইনকিলাব জিন্দাবাদ। এটা পদত্যাগ নয়, পতন হয়েছে।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি কুয়েটে শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের সংঘর্ষে ১০০ জনের বেশি আহত হন। এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ১৪ এপ্রিল ১০১তম সিন্ডিকেট সভায় সংঘর্ষে জড়িত অভিযোগে ৩৭ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়, যার প্রতিবাদে ২১ এপ্রিল থেকে শিক্ষার্থীরা আমরণ অনশন শুরু করেন।

অনশনে একাত্মতা প্রকাশ করে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও কুয়েট উপাচার্যের পদত্যাগের দাবি জানান।