সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দৃষ্টিনন্দন সোনালী কৈ মাছ

তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের পরানধর গ্রামে কালীপ্রসাদ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল মুক্তাদির তরফদারের বাড়ির পুকুরে ধরা পরেলো বিরল প্রজাতির সোনালী রঙ্গের দৃষ্টি নন্দন কৈ মাছ।
জানা যায়, বৃষ্টির সময় বিরল প্রজাতির এই কৈ মাছটি পুকুর থেকে উঠে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলে। তখন আব্দুল মুক্তাদির তরফদারের ছেলে ইমন তরফদার দেখতে পেয়ে বিরল প্রজাতির সোনালী রঙ্গের কৈ মাছটিকে ধরে নিয়ে আসেন। এই খবরটি ছড়িয়ে পরলে কৈ মাছটি দেখার জন্য উৎসুক লোকজন ও আত্মীয় স্বজনেরা তাদের বাড়িতে জড়ো হতে থাকেন।
শুক্রবার ২৫ এপ্রিল সকালে দেখা যায়, ইমন তরফদার একটি এ্যাকুরিয়ামে মাছটিকে খুব যত্নের সাথে রেখেছেন। সে বলেন তিনি দুই দিন আগে বৃষ্টির সময় মাছটি পুকুর থেকে পাড়ে উঠে যায়। তখন আমি মাছটি দেখতে পেয়ে ধরে আনি। বর্তমানে একটা এ্যাকুরিয়ামে খাবার দিয়ে রেখেছি। মাছটির পেটে ডিম রয়েছে। যদি মৎস্য অফিস মাছটি নিয়ে বাচ্চা ফোটানোর ব্যবস্থা করতো তাহলে হয় তো সোনালী রঙ্গের নান্দনিক জাতের কৈ মাছের প্রজননে বৃদ্ধি পেতো।
এবিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সহিদুর রহমান সিদ্দিকী বলেন অনেকগুলো মাছের মধ্যে ২/১ টি এরকম হতেই পারে। জেনেটিক কারণে এগুলো এমন হয়ে থাকে।
মৌলভীবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মো: আরিফ হোসেন বলেন এটি আমাদের দেশি কই মাছ। জেনেটিক্যালি কারণে অনেকগুলো মাছের মধ্যে হঠাৎ দু’একটা এমন ঘটনা হয়ে যায়। তবে এটি নতুন কোন জাত নয়। প্রজনন সম্পর্কে তিনি বলেন আমাদের এরকম কোন ব্যবস্থা নেই।
জনপ্রিয়

যশোর-১ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তৃপ্তি -হাসান ঐক্যবদ্ধ

দৃষ্টিনন্দন সোনালী কৈ মাছ

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৬:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫
তিমির বনিক, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সিবাজার ইউনিয়নের পরানধর গ্রামে কালীপ্রসাদ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক আব্দুল মুক্তাদির তরফদারের বাড়ির পুকুরে ধরা পরেলো বিরল প্রজাতির সোনালী রঙ্গের দৃষ্টি নন্দন কৈ মাছ।
জানা যায়, বৃষ্টির সময় বিরল প্রজাতির এই কৈ মাছটি পুকুর থেকে উঠে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলে। তখন আব্দুল মুক্তাদির তরফদারের ছেলে ইমন তরফদার দেখতে পেয়ে বিরল প্রজাতির সোনালী রঙ্গের কৈ মাছটিকে ধরে নিয়ে আসেন। এই খবরটি ছড়িয়ে পরলে কৈ মাছটি দেখার জন্য উৎসুক লোকজন ও আত্মীয় স্বজনেরা তাদের বাড়িতে জড়ো হতে থাকেন।
শুক্রবার ২৫ এপ্রিল সকালে দেখা যায়, ইমন তরফদার একটি এ্যাকুরিয়ামে মাছটিকে খুব যত্নের সাথে রেখেছেন। সে বলেন তিনি দুই দিন আগে বৃষ্টির সময় মাছটি পুকুর থেকে পাড়ে উঠে যায়। তখন আমি মাছটি দেখতে পেয়ে ধরে আনি। বর্তমানে একটা এ্যাকুরিয়ামে খাবার দিয়ে রেখেছি। মাছটির পেটে ডিম রয়েছে। যদি মৎস্য অফিস মাছটি নিয়ে বাচ্চা ফোটানোর ব্যবস্থা করতো তাহলে হয় তো সোনালী রঙ্গের নান্দনিক জাতের কৈ মাছের প্রজননে বৃদ্ধি পেতো।
এবিষয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সহিদুর রহমান সিদ্দিকী বলেন অনেকগুলো মাছের মধ্যে ২/১ টি এরকম হতেই পারে। জেনেটিক কারণে এগুলো এমন হয়ে থাকে।
মৌলভীবাজার জেলা মৎস্য কর্মকর্তা ড. মো: আরিফ হোসেন বলেন এটি আমাদের দেশি কই মাছ। জেনেটিক্যালি কারণে অনেকগুলো মাছের মধ্যে হঠাৎ দু’একটা এমন ঘটনা হয়ে যায়। তবে এটি নতুন কোন জাত নয়। প্রজনন সম্পর্কে তিনি বলেন আমাদের এরকম কোন ব্যবস্থা নেই।