সোমবার, ২৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুন্দরবনে আবারও হরিণ শিকারের ফাঁদ ও নিষিদ্ধ কাঁকড়া ধরার চারু উদ্ধার

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
পূর্ব সুন্দরবনের জোংড়া টইল ফাঁড়ির আওতাধীন বনাঞ্চলে দুই দিনব্যাপী পৃথক অভিযান চালিয়ে হরিণ শিকারের বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ এবং নিষিদ্ধ কাঁকড়া ধরার একাধিক চারু (চাঁই) উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।
বুধবার (৭ মে) জোংড়া টইল ফাঁড়ির আওতাধীন আন্দারিয়া খালসংলগ্ন গভীর বনাঞ্চলে পায়ে হেঁটে অভিযান চালিয়ে হরিণ শিকারে ব্যবহৃত ‘সিটকা ফাঁদ’ ও ‘হাঁটা ফাঁস ফাঁদ’ জব্দ করা হয়।
পরদিন বৃহস্পতিবার (৮ মে) একই ফাঁড়ির আওতাধীন অপর একটি বনভূমিতে অভিযান চালিয়ে ‘মালা ফাঁদ’ ও নিষিদ্ধ কাঁকড়া ধরার চারু উদ্ধার করা হয়।
এই দুই দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেন জোংড়া টইল ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম শামীমের নেতৃত্বাধীন বন বিভাগের একটি বিশেষ টহল দল। বন বিভাগ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত সব ফাঁদ ও চারু প্রাথমিক তদন্ত শেষে বিধি অনুযায়ী আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং অবৈধ শিকার ও অনুপ্রবেশ রোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এর আগে শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর এলাকাতেও হরিণ শিকারের ফাঁদ ধ্বংসে অভিযান পরিচালনা করেছে বন বিভাগ।
বন সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান সুন্দরবনের পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
জনপ্রিয়

আজ খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান মনোনয়নপত্র জমা দেবেন

সুন্দরবনে আবারও হরিণ শিকারের ফাঁদ ও নিষিদ্ধ কাঁকড়া ধরার চারু উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ১১:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি:
পূর্ব সুন্দরবনের জোংড়া টইল ফাঁড়ির আওতাধীন বনাঞ্চলে দুই দিনব্যাপী পৃথক অভিযান চালিয়ে হরিণ শিকারের বিভিন্ন ধরনের ফাঁদ এবং নিষিদ্ধ কাঁকড়া ধরার একাধিক চারু (চাঁই) উদ্ধার করেছে বন বিভাগ।
বুধবার (৭ মে) জোংড়া টইল ফাঁড়ির আওতাধীন আন্দারিয়া খালসংলগ্ন গভীর বনাঞ্চলে পায়ে হেঁটে অভিযান চালিয়ে হরিণ শিকারে ব্যবহৃত ‘সিটকা ফাঁদ’ ও ‘হাঁটা ফাঁস ফাঁদ’ জব্দ করা হয়।
পরদিন বৃহস্পতিবার (৮ মে) একই ফাঁড়ির আওতাধীন অপর একটি বনভূমিতে অভিযান চালিয়ে ‘মালা ফাঁদ’ ও নিষিদ্ধ কাঁকড়া ধরার চারু উদ্ধার করা হয়।
এই দুই দিনব্যাপী অভিযান পরিচালনা করেন জোংড়া টইল ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম শামীমের নেতৃত্বাধীন বন বিভাগের একটি বিশেষ টহল দল। বন বিভাগ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত সব ফাঁদ ও চারু প্রাথমিক তদন্ত শেষে বিধি অনুযায়ী আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলেন, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং অবৈধ শিকার ও অনুপ্রবেশ রোধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
এর আগে শরণখোলা রেঞ্জের শেলারচর এলাকাতেও হরিণ শিকারের ফাঁদ ধ্বংসে অভিযান পরিচালনা করেছে বন বিভাগ।
বন সংরক্ষণ বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ ধরনের ধারাবাহিক অভিযান সুন্দরবনের পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।