বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সরকারি খাস জমিতে অর্ধশত গাঁজার গাছ

ছবি: আরটিভি

রাজবাড়ীর পাংশার কসবামাজাইলের গড়াই নদীর পাশের সরকারি খাস জমি থেকে প্রায় অর্ধশত গাজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। ‎সোমবার উপজেলা কসবামাজাইল ইউনিয়নের গড়াই নদীর লক্ষ্মীপুর ঘাট এলাকা থেকে গাছগুলো উদ্ধার করে স্থানীয় প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা। তবে কে বা কারা গাঁজার গাছগুলো চাষ করেছে এ বিষয়ে কিছু জানতে পারেনি তারা।

মঙ্গলবার (২০ মে) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ‎পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় যুবকদের উদ্ধার করা গাঁজার গাছগুলো ইউনিয়নের কেওয়াগ্রাম বাজার সংলগ্ন একটি ঈদগাহ্ মাঠে রাখা হয়েছে। প্রতিটি গাছের উচ্চতা প্রায় ৬ থেকে ৮ ফুট। ৪৩টি গাছ সেখানে দেখা গেছে।

‎এ সময় প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী সদস্য সবুজ বলেন, সংবাদ পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি পর সোমবার সকালে নদীর চর এলাকা থেকে গাজার গাছগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

‎অপর এক স্বেচ্ছাসেবী সদস্য বলেন, গড়াই নদীর লক্ষ্মীপুর ঘাট এলাকা থেকে গাছগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে গাছগুলো চাষ করা হয়েছিল কিনা বা এমনিতেই হয়েছে কিনা এ বিষয়ে আমরা কিছু জানতে পারিনি।

‎এ সময় মিলন নামের এক স্বেচ্ছাসেবী সদস্য বলেন, আমরা প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থা সহযোগিতায় এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকি। এর আগেও একজনকে মাদকসহ পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজকে আমরা প্রায় অর্ধশত গাজার গাছ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় বিভিন্ন মহল থেকে মুঠোফোনের মাধ্যমে আমাকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। আমার নামে মামলা দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

‎এ বিষয়ে কসবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহরিয়ার সুফল মাহমুদ বলেন, আমাদের এলাকার প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার সেচ্ছাসেবী সদস্যরা অনেকগুলো গাজার ঘাছ উদ্ধার করেছে। এর আগেও ওরা একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ধরে পুলিশে দিয়েছিল। এলাকায় ওরা অনেক ভালো কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে।

পাংশা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ৪১টি গাঁজার গাছ জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে কে বা কারা গাঁজার গাছগুলো লাগিয়েছিল এ বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলছে। গাঁজার গাছের মালিক পেলে এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হবে। সূত্র-আরটিভি অনলাইন

জনপ্রিয়

টাকা দিয়ে ভোট কেনা জামায়াতের রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব ও আচরণবিধির লঙ্ঘন: মাহদী আমিন

সরকারি খাস জমিতে অর্ধশত গাঁজার গাছ

প্রকাশের সময় : ০৯:৫১:৫৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

রাজবাড়ীর পাংশার কসবামাজাইলের গড়াই নদীর পাশের সরকারি খাস জমি থেকে প্রায় অর্ধশত গাজার গাছ উদ্ধার করা হয়েছে। ‎সোমবার উপজেলা কসবামাজাইল ইউনিয়নের গড়াই নদীর লক্ষ্মীপুর ঘাট এলাকা থেকে গাছগুলো উদ্ধার করে স্থানীয় প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী সদস্যরা। তবে কে বা কারা গাঁজার গাছগুলো চাষ করেছে এ বিষয়ে কিছু জানতে পারেনি তারা।

মঙ্গলবার (২০ মে) ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ‎পাংশা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় যুবকদের উদ্ধার করা গাঁজার গাছগুলো ইউনিয়নের কেওয়াগ্রাম বাজার সংলগ্ন একটি ঈদগাহ্ মাঠে রাখা হয়েছে। প্রতিটি গাছের উচ্চতা প্রায় ৬ থেকে ৮ ফুট। ৪৩টি গাছ সেখানে দেখা গেছে।

‎এ সময় প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার স্বেচ্ছাসেবী সদস্য সবুজ বলেন, সংবাদ পেয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি পর সোমবার সকালে নদীর চর এলাকা থেকে গাজার গাছগুলো উদ্ধার করা হয়েছে।

‎অপর এক স্বেচ্ছাসেবী সদস্য বলেন, গড়াই নদীর লক্ষ্মীপুর ঘাট এলাকা থেকে গাছগুলো উদ্ধার করা হয়েছে। সেখানে গাছগুলো চাষ করা হয়েছিল কিনা বা এমনিতেই হয়েছে কিনা এ বিষয়ে আমরা কিছু জানতে পারিনি।

‎এ সময় মিলন নামের এক স্বেচ্ছাসেবী সদস্য বলেন, আমরা প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থা সহযোগিতায় এলাকায় মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকি। এর আগেও একজনকে মাদকসহ পুলিশে ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজকে আমরা প্রায় অর্ধশত গাজার গাছ উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি। এগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এই মাদকবিরোধী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করায় বিভিন্ন মহল থেকে মুঠোফোনের মাধ্যমে আমাকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয়। আমার নামে মামলা দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

‎এ বিষয়ে কসবামাজাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহরিয়ার সুফল মাহমুদ বলেন, আমাদের এলাকার প্রান্তিক জনকল্যাণ সংস্থার সেচ্ছাসেবী সদস্যরা অনেকগুলো গাজার ঘাছ উদ্ধার করেছে। এর আগেও ওরা একজন মাদক ব্যবসায়ীকে ধরে পুলিশে দিয়েছিল। এলাকায় ওরা অনেক ভালো কাজ করে যাচ্ছে। পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছে।

পাংশা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বলেন, খবর পেয়ে ৪১টি গাঁজার গাছ জব্দ করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তবে কে বা কারা গাঁজার গাছগুলো লাগিয়েছিল এ বিষয়ে কিছু জানা যায়নি। বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলছে। গাঁজার গাছের মালিক পেলে এ ব্যাপারে থানায় মামলা দায়ের করা হবে। সূত্র-আরটিভি অনলাইন