
রুকন উদ্দিন, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি:
মসুলমানদের সবচেয়ে ধর্মীয় বড় উৎসব আসন্ন ঈদুল আজহা (কোরবানি) ঈদ উদযাপন উপলক্ষে কেন্দুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসাপাতাল সুত্রে জানা যায়, উপজেলায় একটি পৌরসভা সহ ১৩টি ইউনিয়নে ষাঁড় ৯২২৮টি, গাভী ১২৪টি, বলদ ২টি, ছাগল ২২৪৫টি ও ভেড়া ২৮৫ সহ মোট ১১৮৮৪টি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
তন্মধ্যে- কেন্দুয়া পৌরসভায় ষাঁড় ৪’শ, গাভী ৮, ছাগল ১৪২, ভেড়া ৩৬টি, কান্দিউড়া ইউনিয়নে ষাঁড় ৬৪০, গাভী ৪, ছাগল ১৫৬, ভেড়া ১২টি, আশুজিয়া ইউনিয়নে- ষাঁড় ৭১০, গাভী ৯, ছাগল ১২০, ভেড়া ৮টি, চিরাং ইউনিয়নে- ষাঁড় ৫৫২, গাভী ৭, ছাগল ১৭০, ভেড়া ১৭, মোজাফরপুর ইউনিয়নে- ষাঁড় ৫৪৪, গাভী ৮, ছাগল ১৪৫, ভেড়া ১৫টি, রোয়াইলবাড়ী আমলিতলা ইউনিয়নে- ষাঁড় ৫৬০, গাভী ৫, ছাগল ১১৬, ভেড়া ১৪, বলদ ১টি, গন্ডা ইউনিয়নে- ষাঁড় ৮৯৫, গাভী ১৫, ছাগল ২১৪, ভেড়া ২৬, বলদ ১টি, সান্দিকোনা ইউনিয়নে- ষাঁড় ৮৮৪, গাভী ১৩, ছাগল ২২৮, ভেড়া ২৭টি, গড়াডোবা ইউনিয়নে- ষাঁড় ৭১২, গাভী ৯, ছাগল ১৭০, ভেড়া ২১, মাসকা ইউনিয়নে- ষাঁড় ৬৯৮, গাভী ১০, ছাগল ১৬০, ভেড়া ১৮, দলপা ইউনিয়নে- ষাঁড় ৫৫৮, গাভী ৯, ছাগল ১৯৬, ভেড়া ১৯, বলাইশিমুল ইউনিয়নে- ষাঁড় ৬৬৫, গাভী ১০, ছাগল ১৪০, ভেড়া ২২, নওপাড়া ইউনিয়নে- ষাঁড় ৭০২, গাভী ৮, ছাগল ১৪৪, ভেড়া ২৪ এবং পাইকুড়া ইউনিয়নে- ষাঁড় ৭০৮ টি, গাভী ৯টি, ছাগল ১৪৪ টি ও ভেড়া ২৬টি কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে।
কেন্দুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের অফিস সহকারি কামরুজ্জামান জানান, কেন্দুয়া উপজেলায় নিবন্ধিত গরুর খামার ১২টি। নিবন্ধিত এসব খামার ছাড়াও উপজেলাতে আরও শতাধিক অনিবন্ধিত খামার ও সৌখিন কৃষক ও গৃহস্থদের মৌসুমী পোষা পশু রয়েছে যা আমাদের অফিসের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। খামার ছাড়াও ব্যক্তিগতভাবে পোষা ১/২ টি পশু করে উপজেলার প্রায় সব গ্রামেই রয়েছে।
তিনি আরও জানান, এবছর আমাদের কোরবানীর পশুর ঘাটতি বরং চাহিদার চেয়ে কিছুটা বেশি রয়েছে। খামারের মালিক সাফায়েত, রেনু মিয়া, মাহবুব, সোহেল মিয়া, আফাজ উদ্দিন অন্যান্যরা জানান, গো খাদ্যের দাম বাড়াতে এবছর পশু পালনে খরচ বেশি হয়েছে।আমরা প্রাকৃতিক ভাবে পশু পালন করে কোরবানীর জন্য প্রস্তুত করছি। তারা আরও জানান, দেশীয় প্রক্রিয়ায় গরুর চাহিদা বেশী হবে বলে মনে করছি। তাই লাভবান হওয়ার আশা করছি।
এবিষয়ে কেন্দুয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমান মুঠোফোনে বলেন, খামারগুলোকে আমরা নিয়মিত দেখাশোনা সহ পরামর্শ দিচ্ছি দেয়া হচ্ছে। বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করে কেউ যেন কৃত্রিমভাবে গরু মোটাতাজা করতে না পারে সেই দিকেও লক্ষ্য রাখছি। এ ছাড়াও বাজার মনিটরিং করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রতি কোরবানির পশুরহাটে চিকিৎসার জন্য অস্থায়ী ক্যাম্পের ব্যবস্থার পাশাপাশি নিজে তদারকি ও পরিদর্শনের ব্যবস্থা করছি। আশা করছি খুব সুন্দর ভাবে আসন্ন ঈদুল আজহার কোরবানী সম্পন্ন হবে।
তিনি আরও জানান- কেন্দুয়া উপজেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ১১ হাজার ৮’শ ৮৪ টি এবং চাহিদা রয়েছে ১১ হাজার ২০ টি। অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় ৮’শ ৬৪টি পশু উদ্ধৃত রয়েছে যা অন্যান্য উপজেলার চাহিদা মেটাতে সক্ষম হবে।
রুকন উদ্দিন, কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি: 







































