সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যেভাবে সমালোচনার উত্তর দেবেন

ছবি: সংগৃহীত

সমালোচনা এমন একটি বিষয় যার সম্মুখীন আমরা সবাই হই। কর্মক্ষেত্রে, সম্পর্কের ক্ষেত্রে, এমনকি অনলাইনে অপরিচিতদের কাছ থেকেও। এবং সত্যিকার অর্থে এটি সবসময় ভালো লাগে না। কখনো কখনো এ ধরনের অভিজ্ঞতা মনের মধ্যে থেকে যায়, বিশেষ করে যখন এটি আমাদের স্নায়ুকে স্পর্শ করে বা আমাদের অস্থির করে তোলে।

প্রতিক্রিয়া জানানোর আগে থামুন

সমালোচনার পর প্রথম মুহূর্তটিই সবচেয়ে আবেগপ্রবণ হয়। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে পিছিয়ে আসুন এবং গভীর নিঃশ্বাস নিন। এই ছোট্ট বিরতি আপনাকে শান্ত হতে সাহায্য করবে এবং এমন কিছু আবেগপ্রবণ কথা বলা এড়াতে সাহায্য করবে যা পরে অনুশোচনার কারণ করতে পারে। অন্যের সমালোচনা এবং প্রতিক্রিয়ার মধ্যে বিরতি নিন। এতে বিষয়টি অতোটাও জটিল মনে হবে না।

কী বলছে সেদিকে মনোযোগ দিন

কখনো কখনো সমালোচনার ভাষা কঠোর হলেও হয়তো তার উদ্দেশ্য আপনার উপকার করা হতে পারে। আপনার ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স সঠিক বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করবে। আপনি সমালোচনার পেছনের উদ্দেশ্য ধরতে পারবেন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করুন, এই ব্যক্তি আসলে কী বলতে চাইছেন? কীভাবে বলছে তার বদলে কী বলছে সেদিকে মনোযোগ দিন।

ভালোভাবে বুঝতে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন

চুপ করে থাকার পরিবর্তে, কৌতূহলের সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে যান। আপনার কথাগুলো বুঝতে পারিনি, আরেকবার বুঝিয়ে বলবেন কি? অথবা, আপনার কি মনে হয় আমি অন্যভাবে কী করতে পারতাম? এর মতো চিন্তাশীল প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন। এতে আপনার মানসিক পরিপক্কতার প্রমাণ মিলবে।

ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না

কেউ যখন কোনো ত্রুটি বা ভুল দেখিয়ে দেয়, বিশেষ করে যদি তা কোনো সংবেদনশীল স্থানে আঘাত করে, তখন আঘাত লাগা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। কিন্তু ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সব সমালোচনাই ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়। একটি ভুল আমাদের মূল্য বা ক্ষমতা কমিয়ে দেয় না। তাই কেউ সমালোচনা করলেই আপনি ছোট হয়ে যাবেন না, বরং সেখান থেকেও শেখার চেষ্টা করুন।

জনপ্রিয়

ইচ্ছামতো চাঁদাবাজি চলছে রাজস্থলীর বাঙ্গালহালিয়ায় সূর্য মেলায়

যেভাবে সমালোচনার উত্তর দেবেন

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৯:৪৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

সমালোচনা এমন একটি বিষয় যার সম্মুখীন আমরা সবাই হই। কর্মক্ষেত্রে, সম্পর্কের ক্ষেত্রে, এমনকি অনলাইনে অপরিচিতদের কাছ থেকেও। এবং সত্যিকার অর্থে এটি সবসময় ভালো লাগে না। কখনো কখনো এ ধরনের অভিজ্ঞতা মনের মধ্যে থেকে যায়, বিশেষ করে যখন এটি আমাদের স্নায়ুকে স্পর্শ করে বা আমাদের অস্থির করে তোলে।

প্রতিক্রিয়া জানানোর আগে থামুন

সমালোচনার পর প্রথম মুহূর্তটিই সবচেয়ে আবেগপ্রবণ হয়। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানোর পরিবর্তে পিছিয়ে আসুন এবং গভীর নিঃশ্বাস নিন। এই ছোট্ট বিরতি আপনাকে শান্ত হতে সাহায্য করবে এবং এমন কিছু আবেগপ্রবণ কথা বলা এড়াতে সাহায্য করবে যা পরে অনুশোচনার কারণ করতে পারে। অন্যের সমালোচনা এবং প্রতিক্রিয়ার মধ্যে বিরতি নিন। এতে বিষয়টি অতোটাও জটিল মনে হবে না।

কী বলছে সেদিকে মনোযোগ দিন

কখনো কখনো সমালোচনার ভাষা কঠোর হলেও হয়তো তার উদ্দেশ্য আপনার উপকার করা হতে পারে। আপনার ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স সঠিক বিষয়টি বুঝতে সাহায্য করবে। আপনি সমালোচনার পেছনের উদ্দেশ্য ধরতে পারবেন। নিজেকে জিজ্ঞাসা করার চেষ্টা করুন, এই ব্যক্তি আসলে কী বলতে চাইছেন? কীভাবে বলছে তার বদলে কী বলছে সেদিকে মনোযোগ দিন।

ভালোভাবে বুঝতে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন

চুপ করে থাকার পরিবর্তে, কৌতূহলের সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে যান। আপনার কথাগুলো বুঝতে পারিনি, আরেকবার বুঝিয়ে বলবেন কি? অথবা, আপনার কি মনে হয় আমি অন্যভাবে কী করতে পারতাম? এর মতো চিন্তাশীল প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করুন। এতে আপনার মানসিক পরিপক্কতার প্রমাণ মিলবে।

ব্যক্তিগতভাবে নেবেন না

কেউ যখন কোনো ত্রুটি বা ভুল দেখিয়ে দেয়, বিশেষ করে যদি তা কোনো সংবেদনশীল স্থানে আঘাত করে, তখন আঘাত লাগা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক। কিন্তু ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সব সমালোচনাই ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়। একটি ভুল আমাদের মূল্য বা ক্ষমতা কমিয়ে দেয় না। তাই কেউ সমালোচনা করলেই আপনি ছোট হয়ে যাবেন না, বরং সেখান থেকেও শেখার চেষ্টা করুন।