বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বাবা দিবস

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার উদযাপন করা হয় ‘বিশ্ব বাবা দিবস’ বা ‘ফাদার্স ডে’। এই দিনটি শুধু একটি উপলক্ষ নয়, বরং বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানানোর এক বিশেষ মুহূর্ত। বাবা—এই শব্দের সঙ্গে জড়িয়ে আছে দায়িত্ব, নির্ভরতা আর নিঃশব্দ ভালোবাসা। অনেক সময় বাবারা প্রকাশ্যে আবেগ দেখাতে পারেন না, কিন্তু তাদের চোখের চাহনি, হাতের শাসন, কিংবা গভীর নীরবতাই বলে দেয় ভালোবাসার গল্প।

বাবারা সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য কাজ করে যান দিনের পর দিন। স্কুলের ফি দেয়া, বাজার করা, সন্তানদের চাহিদা মেটানো সবকিছুর পেছনে থাকে এক ‘নীরব নায়ক’-এর অস্তিত্ব।সমাজে মায়েদের দায়িত্ব যেমন গুরুত্বপূর্ণ, বাবাদের ভূমিকাও তেমনই শেকড়ের মতো অদৃশ্য কিন্তু দৃঢ়। সন্তানদের জীবনের প্রথম আদর্শ, প্রথম নায়ক হন তাদের বাবাই। তিনি শেখান কীভাবে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়, কেমন করে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ঝড়ের মধ্যেও।

আজকের প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে অনেক সন্তানই বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্বে থাকেন। সময়ের অভাবে অনেক কথাই বলা হয়ে ওঠে না। ফাদার্স ডে সেই না বলা ভালোবাসা প্রকাশের সুযোগ এনে দেয়। এই দিনে কেউ বাবার সঙ্গে ছবি শেয়ার করে, কেউ বা তাকে নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস লেখে। কেউ বাবার প্রিয় খাবার রান্না করে, আবার কেউ তাঁর হাতে তুলে দেয় একটি কার্ড। ছোট এই কাজগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে অকৃত্রিম ভালোবাসা।

আজকের প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে অনেক সন্তানই বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্বে থাকেন। সময়ের অভাবে অনেক কথাই বলা হয়ে ওঠে না। ফাদার্স ডে সেই না বলা ভালোবাসা প্রকাশের সুযোগ এনে দেয়।

তবে ফাদার্স ডে মানে শুধুই উপহার বা ছবি পোস্ট নয়। বাবার হাতে হাত রাখা, কিছু সময় তার সঙ্গে গল্প করা কিংবা চোখে চোখ রেখে বলা“তোমাকে ভালোবাসি”—এই কথাগুলিই বাবার কাছে সবচেয়ে বড় পুরস্কার।

একটি সন্তান তার জীবনের সব পর্যায়ে বাবার ভালোবাসা ও দিকনির্দেশনা চায়। বাবা যেমন ছোটবেলায় হাত ধরে হাঁটতে শেখান, বড় হয়ে জীবনের পথেও তিনি হয়ে যান ছায়া। তাই ফাদার্স ডেতে বাবাদের প্রতি ভালোবাসা জানানো হোক শুধু আজকের দিনে নয়, প্রতিটি দিনেই। কারণ বাবারা সবসময় সামনে থাকেন না, কিন্তু সবসময় পাশে থাকেন।

জনপ্রিয়

পেশাদারিত্বের বিষয়ে সাংবাদিকদের আপসহীন হতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বাবা দিবস

প্রকাশের সময় : ০২:২৩:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

বিশ্বজুড়ে জুন মাসের তৃতীয় রবিবার উদযাপন করা হয় ‘বিশ্ব বাবা দিবস’ বা ‘ফাদার্স ডে’। এই দিনটি শুধু একটি উপলক্ষ নয়, বরং বাবাদের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা জানানোর এক বিশেষ মুহূর্ত। বাবা—এই শব্দের সঙ্গে জড়িয়ে আছে দায়িত্ব, নির্ভরতা আর নিঃশব্দ ভালোবাসা। অনেক সময় বাবারা প্রকাশ্যে আবেগ দেখাতে পারেন না, কিন্তু তাদের চোখের চাহনি, হাতের শাসন, কিংবা গভীর নীরবতাই বলে দেয় ভালোবাসার গল্প।

বাবারা সন্তানদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য কাজ করে যান দিনের পর দিন। স্কুলের ফি দেয়া, বাজার করা, সন্তানদের চাহিদা মেটানো সবকিছুর পেছনে থাকে এক ‘নীরব নায়ক’-এর অস্তিত্ব।সমাজে মায়েদের দায়িত্ব যেমন গুরুত্বপূর্ণ, বাবাদের ভূমিকাও তেমনই শেকড়ের মতো অদৃশ্য কিন্তু দৃঢ়। সন্তানদের জীবনের প্রথম আদর্শ, প্রথম নায়ক হন তাদের বাবাই। তিনি শেখান কীভাবে বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়, কেমন করে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় ঝড়ের মধ্যেও।

আজকের প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে অনেক সন্তানই বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্বে থাকেন। সময়ের অভাবে অনেক কথাই বলা হয়ে ওঠে না। ফাদার্স ডে সেই না বলা ভালোবাসা প্রকাশের সুযোগ এনে দেয়। এই দিনে কেউ বাবার সঙ্গে ছবি শেয়ার করে, কেউ বা তাকে নিয়ে আবেগঘন স্ট্যাটাস লেখে। কেউ বাবার প্রিয় খাবার রান্না করে, আবার কেউ তাঁর হাতে তুলে দেয় একটি কার্ড। ছোট এই কাজগুলোর মধ্যেই লুকিয়ে থাকে অকৃত্রিম ভালোবাসা।

আজকের প্রযুক্তিনির্ভর সমাজে অনেক সন্তানই বাবা-মায়ের সঙ্গে দূরত্বে থাকেন। সময়ের অভাবে অনেক কথাই বলা হয়ে ওঠে না। ফাদার্স ডে সেই না বলা ভালোবাসা প্রকাশের সুযোগ এনে দেয়।

তবে ফাদার্স ডে মানে শুধুই উপহার বা ছবি পোস্ট নয়। বাবার হাতে হাত রাখা, কিছু সময় তার সঙ্গে গল্প করা কিংবা চোখে চোখ রেখে বলা“তোমাকে ভালোবাসি”—এই কথাগুলিই বাবার কাছে সবচেয়ে বড় পুরস্কার।

একটি সন্তান তার জীবনের সব পর্যায়ে বাবার ভালোবাসা ও দিকনির্দেশনা চায়। বাবা যেমন ছোটবেলায় হাত ধরে হাঁটতে শেখান, বড় হয়ে জীবনের পথেও তিনি হয়ে যান ছায়া। তাই ফাদার্স ডেতে বাবাদের প্রতি ভালোবাসা জানানো হোক শুধু আজকের দিনে নয়, প্রতিটি দিনেই। কারণ বাবারা সবসময় সামনে থাকেন না, কিন্তু সবসময় পাশে থাকেন।