বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণ, হেলপার গ্রেপ্তার

ছবি: সংগৃহীত

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার মূল হোতা বাসের হেলপার লিটন মিয়াকে (২৬) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। সোমবার (১৬ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে র‌্যাব-৯, সিলেট সদর কোম্পানি ও শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা থানাধীন জালালপুর এলাকা থেকে তাকে  গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। র‌্যাবের অভিযানে গ্রেফতার হওয়া বাসের হেলপার লিটন মিয়া সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রশিদপুর গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।

সোমবার সকালে তরুণী নিজেই নবীগঞ্জ থানায় বাসচালক সাব্বিরকে প্রধান ও লিটনকে দ্বিতীয় আসামি করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে ওই তরুণীকে চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ওই দিন সকালে ঘটনাস্থল নবীগঞ্জের ছালামতপুর এলাকা পরিদর্শন করে ও থানায় গ্রেফতার আসামির সঙ্গে কথা বলেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান। পরে পুলিশ সুপার হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে দেখা করেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ঘটনার পর পর সটকে পড়েন ধর্ষণ-কাণ্ডের মূল হোতা হেলপার লিটন। গ্রেফতার এড়াতে লিটন আত্মগোপনে চলে যায়। অন্যদিকে লিটনকে গ্রেপ্তার করতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিলেটের সদর কোম্পানি এবং সিপিসি-৩ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা থানাধীন জালালপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দায়েরকৃত মামলার আসামি মূল হোতা বাসের হেলপার লিটন মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব।

জনপ্রিয়

খালেদা জিয়ার সমাধিতে প্রধান উপদেষ্টার পক্ষে শ্রদ্ধাঞ্জলি

চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণ, হেলপার গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ১২:৩৫:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলার মূল হোতা বাসের হেলপার লিটন মিয়াকে (২৬) ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। সোমবার (১৬ জুন) দিবাগত রাত ১২টার দিকে র‌্যাব-৯, সিলেট সদর কোম্পানি ও শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের যৌথ অভিযানে সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা থানাধীন জালালপুর এলাকা থেকে তাকে  গ্রেপ্তার করা হয়।

র‌্যাব-৯-এর মিডিয়া অফিসার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কেএম শহিদুল ইসলাম সোহাগ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। র‌্যাবের অভিযানে গ্রেফতার হওয়া বাসের হেলপার লিটন মিয়া সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রশিদপুর গ্রামের নুরু মিয়ার ছেলে।

সোমবার সকালে তরুণী নিজেই নবীগঞ্জ থানায় বাসচালক সাব্বিরকে প্রধান ও লিটনকে দ্বিতীয় আসামি করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে ওই তরুণীকে চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ওই দিন সকালে ঘটনাস্থল নবীগঞ্জের ছালামতপুর এলাকা পরিদর্শন করে ও থানায় গ্রেফতার আসামির সঙ্গে কথা বলেন হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার এএনএম সাজেদুর রহমান। পরে পুলিশ সুপার হবিগঞ্জ আধুনিক জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভুক্তভোগী তরুণীর সঙ্গে দেখা করেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

ঘটনার পর পর সটকে পড়েন ধর্ষণ-কাণ্ডের মূল হোতা হেলপার লিটন। গ্রেফতার এড়াতে লিটন আত্মগোপনে চলে যায়। অন্যদিকে লিটনকে গ্রেপ্তার করতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

সোমবার দিবাগত রাত ১২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৯, সিলেটের সদর কোম্পানি এবং সিপিসি-৩ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের যৌথ আভিযানিক দল সিলেট জেলার দক্ষিণ সুরমা থানাধীন জালালপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় চলন্ত বাসে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দায়েরকৃত মামলার আসামি মূল হোতা বাসের হেলপার লিটন মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় র‌্যাব।